76 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

অপহরণ ও ধর্ষণের ৫দিন পর এক মহিলাকে সিলেট থেকে উদ্ধার।।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:  ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের জেলা আদালতের সামনে থেকে এক মহিলাকে অপহরণ ও তুলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গতকাল শুক্রবার(২৫ই সেপ্টেম্বর) রাত ১১ টার দিকে ৫দিন নিখোঁজের পর হেলেনা বেগমকে(৩২) সিলেট কদমতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
হেলেনা বেগম নবীনগর উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ওয়ারক গ্রামের হারুর মাস্টার বাড়ির আলমগীর হোসেনের স্ত্রী।
উদ্ধারের পর হেলেনা বলেন, গত সোমবার(২১ই সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে ছেলেকে হত্যা চেষ্টা মামলার জন্য সাক্ষী দিতে আসি। পরে বাড়িতে যাওয়ার সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া আদালত থেকে বের হয়ে সিএনজি উঠি। তখন ওই মামলার আসামী সাদ্দাম, জাবেদ, কাহার ও প্যারা মিয়া তাকে তুলে নিয়ে যায়। তারা তাকে নরসিংদী নিয়ে ৫দিন আটকিয়ে পালাক্রমে একজনের পর একজন ধর্ষণ করে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
তিনি আরও বলেন, রাতে নরসিংদী একটি আবাসিক হোটেলে নিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেট খাওয়ায় অজ্ঞান করে সারা রাত তাকে ধর্ষণ করেন তারা। এমন ভাবে তাকে ৫দিন পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। গত(২৫ই সেপ্টেম্বর) ভোররাত সাড়ে ৩টার দিকে তাকে সিলেট নেওয়ার পথে কদমতলী বাসস্ট্যান্ডে রেখে চলা যায় ।
এদিকে মামলার বাদী ও ওই মহিলার স্বামী আলমগীর কাছে জানা যায়, এ মাসের ২তারিখ তার ছেলে ইয়াসীনকে(২০) মোবাইল কেনাবেচা নিয়ে একই এলাকার সাদ্দাম, কাহার, জাবেদ ও প্যারা মিয়া কুপিয়ে জখম করে। তারপর ৬ই সেপ্টেম্বর নবীনগর থানায় তিনি বাদী হয়ে হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে আসামীরা বিভিন্ন ভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে যাচ্ছিল তার পরিবারকে। গত সোমবার দুপুর ২টার দিক জেলা আদালতে কাজ শেষ করে বাড়িতে যাওয়ার সময় তার স্ত্রী হেলেনাকে তুলে নিয়ে যায় ওই আসামীরা।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গতকাল সকালে কদমতলী বাস টার্মিনাল হতে এক রিকসা চালক মুঠোফোন ওই মহিলার স্বামী আলমগীরকে জানালে তখন রাতে হেলেনাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন তার স্বামী আলমগীর। মুমূর্ষু অবস্থায় ওই মহিলাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) আব্দুর রহিম বলেন, নিখোঁজ হওয়া ওই মহিলাকে উদ্ধারের পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিস্তারিত এখনো কিছু জানি না। তবে এখনও ওই মহিলাকে অপহরণ ও ধর্ষণের কারন দেখিয়ে কেউ কোন ধরনের অভিযোগ করেননি পুলিশের কাছে।