96 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আইপিএল মানেই দাপট চেন্নাই সুপার কিংসের।

আইপিএল মানেই চেন্নাই সুপার কিংসের

  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

খেলাধুলা ডেস্কঃ আইপিএল মানেই দাপট চেন্নাই সুপার কিংসের। বাকিদের কথা বাদ, টুর্নামেন্টের শেষ চারে তাদের নাম আসর শুরুর আগে থেকেই লিখে রাখা হতো। তবে করোনার কারণে দেশের বাইরে আইপিএল যেতেই ছন্নছাড়া অবস্থা দলটির।

তার ওপর দলের সেরা ব্যাটসম্যান সুরেশ রায়নাও নেই পারিবারিক কারণে। হ-য-ব-র-ল অবস্থায় থাকা দলটি শনিবার আবার হেরেছে। এবারের হার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের বিপক্ষে। এ নিয়ে সাত ম্যাচের পাঁচটিতেই হার দেখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই।

এর আগে, ২০১০ সালে আইপিএলের তৃতীয় সংস্করণেও শুরুর সাত ম্যাচে পাঁচবার হেরেছিল চেন্নাই। কিন্তু সেবার মিরাকল ঘটিয়ে দলটি টুর্নামেন্ট শেষ করে চ্যাম্পিয়ন হিসেবে। এরপর তো ওইবছর অবিশ্বাস্য জয়ধারায় চ্যাম্পিয়নস লিগ টি-টোয়েন্টির শিরোপাও জেতে ধোনির দূরদর্শী অধিনায়কত্বে। কিন্তু এবার সেই ‘মিরাকল’ ঘটার সম্ভাবনা দেখছে না কেউ-ই।

তাবত চেন্নাই ভক্তরাও এরই মধ্যে আশা ছেড়ে দিয়েছে এবারের আইপিএলে চেন্নাইয়ের প্লে-অফে যাওয়া নিয়ে। ব্যাটসম্যানরাই বারবার ডোবাচ্ছে চেন্নাইকে। এবারের আসরে সাত ম্যাচেই পরে ব্যাট করেছে চেন্নাই। প্রথম ম্যাচে আম্বাতি রাইডু, ফ্যাফ ডু প্লেসিতে ভর করে জয়ের পর কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিপক্ষে ওই ডু প্লেসির সঙ্গে শেন ওয়াটসন দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। এ দুই ম্যাচ ছাড়া বাকি পাঁচ ম্যাচেই ওপেনিং জুটি, টপ অর্ডার, মিডল অর্ডাররা ব্যর্থ। ব্যর্থ অধিনায়ক ধোনি নিজেও। ফলাফল, একের পর এক হার।

ব্যাঙ্গালোরের কাছে ৩৭ রানের হারের পর ধোনি নিজেই তাই স্বীকার করে নিলেন, তার যে জাহাজ (চেন্নাই দল), তাতে রয়েছে অনেক ফুটো। ব্যাটিং-বোলিং দুটিই যে একের পর এক হারের কারণ সেই কথাটিই বললেন তিনি, ‘ব্যাটিং সবসময়ই আমাদের চিন্তার কারণ ছিল। যেটা আজকের ম্যাচেও দেখা গেলো।

আমার মনে হয়, এ বিষয়ে শিগগিরই কিছু করা দরকার। আমার কাছে মনে হচ্ছে, গায়ের শক্তির দিক থেকে আমাদের ব্যাটিং খানিকটা পিছিয়ে আছে। বিশেষ করে ছয় ওভারের পরে। কখনও কখনও নির্দিষ্ট খেলোয়াড় হয়তো দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু এভাবে বেশিদূর এগনো সম্ভব না।

বোলিং ডিপার্টমেন্টের কথা বললে, আমরা দেখিয়েছি যে প্রতিপক্ষকে অল্পেই আটকে রাখতে পারি। কিন্তু সমস্যা হলো, কখনও প্রথম ৬ ওভারে কিংবা কখনো শেষের ৪ ওভারে খুব বেশি রান দিয়ে ফেলছি। বিষয়টা এখন এমন মনে হচ্ছে যে, জাহাজে অনেক বেশি ফুটো এবং আপনি একটা ফুটো বন্ধ করলে অন্য ফুটো দিয়ে পানি প্রবেশ করতে থাকে।’

ব্যাঙ্গালোরের দেয়া ১৭০ রানের তাড়ায় নেমে চেন্নাই দুই ওপেনার ওয়াটসন ও ডু প্লেসিকে হারায় পাওয়ার প্লেতেই। প্রথম ৬ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে মোটে ২৬ তুলতে পারে দলটি। রাইডু ও অভিষিক্ত নারায়ণ জগদিশান ধীরে চলো নীতি ৬৪ রান স্কোরবোর্ডে যোগ করলেও বাকি সফলভাবে ইনিংস শেষ করতে পারেনি। আশার প্রদীপ ধোনিও ৬ বলে ১ ছয়ে ১০ রানের বেশি করতে পারেননি। নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩২ রানেই তাই থামে চেন্নাইয়ের রানের চাকা।

ব্যাঙ্গালোর বড় সংগ্রহ পায় তাদের অধিনায়ক বিরাট কোহলির বীরোচিত ৯০ রানের ইনিংসে। শুরুর অফ-ফর্ম শেষের তিন ম্যাচ দিয়ে বোঝালেন, তার জাতটাই অন্য পর্যায়ের। গত ম্যাচে কোহলি দলের ভয়ঙ্কর ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যেও খেলেন ৪৩ রান। এর আগে তো দল জেতানো অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসই খেলেছেন।

এবার খেললেন আসরে নিজের সেরা ইনিংস। শুরুতে তার অফ-ফর্মের পেছনে স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী আনুশকা শর্মাকে দায়ী করা হয়েছিল বলেই কি-না, তার উপস্থিতিতেই শনিবার দুবাইতে মাত্র ৫২ বলে ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় ঝকঝকে ইনিংসটি খেলেন ব্যাঙ্গালোর অধিনায়ক। কোহলির ব্যাটে বড় রান এলেও দেবদূত পাড়িক্কাল (৩৩) ছাড়াও কেউ-ই এদিন বলার মতো ইনিংস খেলতে পারেননি।

  • 7
    Shares
  • 7
    Shares