240 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
আকাশ মথিত করে বারিধারা পড়ছিলো, যেনো সমগ্র প্রকৃতি শেখ হাসিনার চোখের জলের সাথে মিলেমিশে একাকার হয়ে গিয়েছিল ,   আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে  বললেন র আ ম উবায়দুল মুক্তাদির চৌধূরী।
আজ ১৭ ই মে রোজ সোমবার জেলা শিল্পকলা একাডেমী অডিটরিয়ামে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেন ,,আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪০তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। দীর্ঘ ৬ বছর নির্বাসিত থেকে ১৯৮১ সালের এই দিনে দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। এই দিন তাকে বহনকারী উড়োজাহাজটি বিকালে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি থেকে কলকাতা হয়ে ঢাকায় নামলে বিমানবন্দরে লাখো মানুষ তাকে স্বাগত জানান। দেশে ফেরার পর দীর্ঘ ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে আওয়ামী লীগ সভাপতির দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন শেখ হাসিনা। স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর শেখ হাসিনার পথ মসৃণ ছিল না। বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন,, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার , সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার আবু হোরায়রা, জেলা আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের নেতা অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল আলম খোকন, এছাড়া আরো উপস্থিতছিলেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ওয়াছেল সিদ্দিকী, আবদুল ওয়াহেদ খান লাভলু জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম ফেরদৌস সহ জেলা আওয়ামীলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ, জেলা ছাত্রলীগ, বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন । বক্তারা বলেন, নানা ঘাত-প্রতিঘাত পেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আজকের অবস্থানে আসতে হয়েছে। তার নেতৃত্বে জাতির পিতার খুনি ও একাত্তরের নরঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন এবং রায় কার্যকর হয়েছে। তার সুযোগ্য নেতৃত্ব, যোগ্যতা, নিষ্ঠা, মেধা-মনন, দক্ষতা, সৃজনশীলতা ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এক সময় দারিদ্র্য-দুর্ভিক্ষে জর্জরিত যে বাংলাদেশ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সংগ্রাম করত সেই দেশ আজ বিশ্বজয়ের নবতর অভিযাত্রায় এগিয়ে চলছে। বিশ্বসভায় আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ।