400 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আখেরী চাহার শোম্বা উপলক্ষে যুবসেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত।

  • 116
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    116
    Shares

মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামঃ-

আখেরী চাহার শোম্বা ও ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার উদ্যোগে আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মিলাদ মাহফিলটি অদ্য ০৬ অক্টোবর বুধবার সকাল ১০ ঘটিকায় জেলা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন যুবসেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার সভাপতি মুফতি আল আমিন মোল্লা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পীরে তরিকত ছৈয়দ জাফরুল কুদ্দুস গালেব। বিশেষ অতিথি ছিলেন কিশোরগঞ্জ নূরানী মঞ্জিল দরবার শরীফের খলিফা ও উলচাপাড়া নূরানী মঞ্জিল দরবার শরীফের গদিনেশীন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান হাজারী।

প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিল বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রসেনার সাবেক সফল সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।

যুবসেনা ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মুফতি শরিফুল ইসলাম ভূইয়ার সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সহ-সভাপতি পীরজাদা মুহাম্মদ সালাহ উদ্দিন আহমেদ দিপু, সহ-সভাপতি হাফেজ মুফতি শাফায়াত হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম, অর্থ সম্পাদক হাফেজ মাও. শাহিনুল ইসলাম হাজারী, দপ্তর সম্পাদক হাফেজ আরিফ আহমেদ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাও. তামিম আনসারী, শিল্প, বানিজ্য ও কৃষি সম্পাদক মাও. আবু বককর, যুবসেনা সাদেকপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, যুবসেনা সুলতানপুর ইউনিয়ন শাখার সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আব্দুর রাকিব চৌধুরী, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ নাজির ভান্ডারী, মাও. মুজাম্মেল হক রেজভী, হাফেজ জাকারিয়া ইসলাম, মুহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ ওমর ফারুকসহ প্রমুখ।

বক্তাগন বলেন, আখেরী চাহার শোম্বা অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি দিবস। আখেরী চাহার শোম্বা আরবি ও ফার্সি শব্দের যুগল। আখেরী আরবী অংশ, যার অর্থ শেষ ও শোম্বা ফার্সি অংশ চাহার, যার অর্থ বুধবার। অর্থাৎ আখেরী চাহার শোম্বা অর্থ হল শেষ বুধবার।

তারা আরো বলেন, রাসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ১০ম হিজরীর শুরুতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে ক্রমেই শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে।তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন যে, নামাজের ইমামতি পর্যন্ত করতে পারছিলেন না। ২৮ সফর বুধবার প্রিয় নবীজি (দঃ) সুস্থ হয়ে ওঠেন। ঐ দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার। এই দিন কিছুটা সুস্থবোধ করায় রাসূলুল্লাহ (দঃ) গোসল করে নামাজের ইমামতি করেন। মদীনাবাসী এই খবরে আনন্দ-খুশিতে আত্মহারা হয়ে প্রিয় নবীজি (দঃ) কে এক নজর দেখতে দলে দলে ছোটে গেলেন। তখন সকলেই তাদের সাধ্যমতো দান-সাদকা করলেন শুকরিয়া নামাজ আদায় ও দোয়া করলেন।

  • 116
    Shares