526 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আনন্দ উপভোগের নামে রসুলপুর ও শালগাও-এ করোনা’র হাট জমে উঠেছে। প্রশাসন নিরব।

  • 158
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    158
    Shares

মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামঃ-

ঈদ মানেই আনন্দ, ঈদ মানেই খুশি। সকল মানুষই ঈদে একস্থান থেকে অন্যস্থানে বেড়াতে বা ঘুরাঘুরি করতে পছন্দ করে। আর এটাই বাঙ্গালির ঋতি। কিন্তু সময়কাল বলতে একটি প্রবাদবাক্য আছে। জীবন বাচাতে সে সময়কাল মেনেই চলতে হয়। প্রাণঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাসের ফলে বিশ্ব এ শিক্ষাই পেয়েছে। মানুষকে এ ভাইরাস থেকে নিরাপদে রাখতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ প্রতিটি দেশ যখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার কথা বলছে। তখন ঈদুল আযহার আনন্দের নামে প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে, প্রশাসনের নিরবতার সুযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নবীনগর যাতায়াতের জন্য তিতাস নদীর উপর নির্মিত রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীর কে লক্ষ্য করে জমে উঠেছে করোনার হাট। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সরকার যখন মুসল্লিগনকে ঈদে নামাজ পড়তে ঈদগাহ মাঠে যাওয়া নিষেধ করেছে। সামাজিক দূরত্ব মেনে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায়ে নির্দেশনা দিয়েছে। তখন সরকারের নির্দেশনা কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রতিনিয়ত এই মহামারী করোনা ভাইরাসের হাট রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীরে বসছে।

একটি বিশ্বস্তসূত্রে জানা যায়, ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে বহুদূর দূরান্ত থেকে মাইক্রো বাস, নৌকা, মটর সাইকেল, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন যোগে প্রতিনিয়ত লাখো মানুষ রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীরে আসছে। যাদের অধিকাংশের মুখে মাক্স ছিলনা। রসুলপুর সেতু ও শালগাও-এ সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় সামাজিক দূরত্ব দূরের কথা দেশে করোনা নামক মহামারীতে এখনো মানুষ মারা যাচ্ছে এ কথা যেন কারো মনে নেই। বিশেষ করে ১৫-৩০ বছরের ছেলে মেয়েরা আনন্দের ছলে এই মহামারীর কথা ভাবতেই পারছেনা। ঈদ আনন্দ উপভোগ করতে আশা দু-একজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, এই রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীরে তারা প্রতিনিয়ত আসে। তাদের দাবি দেশে এখন আর করোনা নেই। করোনার ভয় দেখিয়ে তাদের আনন্দের মুহুর্ত কে কেউ নষ্ট করতে পারবেনা।

এদিকে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, এলাকাবাসী অনেকটা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। তাদের দাবি আনন্দের নামে রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীরে অতিরিক্ত মানুষের আগমনে জেলায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে পারে। তারা করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে রসুলপুর সেতু ও শালগাও নদীর তীরে দ্রুত প্রশাসনের কঠোর নজরদারি দাবি করেন। এলাকাবাসী বলেন, এই অতিরিক্ত মানুষের আগমনের ফলে আমরা পরিবার পরিজন নিয়ে চরম হুমকির মধ্যে রয়েছি। প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেই, তবে রসুলপুর ও শালগাও সহ আশপাশের এলাকায় প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। এমন কি এ সংক্রমণ দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়তে পারে।

অপরদিকে ঈদ আনন্দের নামে বেপোয়ারা কিছু যুবক রসুলপুরের পাঁচভিটা হয়ে জাতীয় গ্রীডে বিদ্যুৎ সরবরাহ কৃত বিপজ্জনক খুঁটিতে উঠে লাফালাফি করতে দেখা গিয়েছে। যে কোন সময় এ লাফালাফি মারাত্বক বিপদ ডেকে আনতে পারে। এলাকায় হঠাৎ করে উশৃংখল যুবকদের আগমনের ফলে এলাকাবাসী মনে আতঙ্কের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উশৃংখল বেপরোয়া যুবকদের ঘৃণ্য কর্মকান্ড বন্ধে ও এলাকার নিরাপত্তার স্বার্থে উশৃংখল যুবকদের আগমন রোধে এলাকাবাসী জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার এর হস্তক্ষেপও কামনা করেন।

  • 158
    Shares
  • 158
    Shares