166 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আফগানিস্তানে ফের চালু করা হবে শিরশ্ছেদ ও অঙ্গচ্ছেদের মতো কঠোর শাস্তি

  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:  আফগান রাজনীতির পট-পরিবর্তননের পর থেকেই দেশটির জনমনে সংশয়-শঙ্কা দেখা দেয় তালেবান শাসন ব্যবস্থা নিয়ে। কারণ তালেবানরা শরিয়তের ভিত্তি অনুযায়ী পরিচালনা করে তাদের সকল কার্যক্রম। এর আগে নম্বইয়ের দশকে যখন তালেবান শাসন ব্যবস্থা চলমান ছিলো তখন জনসম্মুখেই শিরশ্ছেদ ও অঙ্গচ্ছেদের মতো কঠোর শাস্তির বিধান প্রচলিত ছিলো।

এবার আবারও সেই দিকেই ইঙ্গিত দিলেন তালেবানের সাবেক মোর‌্যাল পুলিশের প্রধান মোল্লা নূরুদ্দিন তুরাবি। তিনি বলেন,আফগানিস্তানে ফের চালু করা হবে শিরশ্ছেদ ও অঙ্গচ্ছেদের মতো কঠোর শাস্তি। এক্ষেত্রে নম্বইয়ের দশকের মতো এবার জনসম্মুখে এসব শাস্তি নাও দেওয়া হতে পারে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

গণমাধ্যমে প্রচলিত ‘কুখ্যাত’ এই তালেবান নেতা বর্তমানে আফগানিস্তানের কারাগারগুলোর দায়িত্বে রয়েছেন। বার্তা সংস্থা এপিকে তিনি জানান, নিরাপত্তার জন্য অঙ্গচ্ছেদ ফের চালু করা প্রয়োজন।

 

নব্বইয়ের দশকে তালেবান শাসন অনুযায়ী জনসম্মুখে শিরশ্ছেদ নিয়ে জনগণের ক্ষোভের বিষয়টি যেন নূরুদ্দিন তুরাবি সাধারণ ইস্যুতেই ভেবেছেন। এ ব্যাপারে তিনি জানান, আমাদের আইন কেমন হওয়া উচিত তা নিয়ে কেউ কথা বলতে পারবে না।

জানা যায়, প্রথম তালেবান শাসনের সময় দাড়ি ছোট করা কিংবা ধর্মীয় ছাড়া অন্য সংগীত শোনার ‘অপরাধে’ তুরাবি কঠোর শাস্তি দিতেন।

তিনি বলেন, কঠোর শাস্তির প্রথা বলবৎ থাকলেও তালেবান টেলিভিশন, মোবাইল ফোন, ছবি ও ভিডিও নিষিদ্ধ করবে না তালেবান। জাতিসংঘের কালো তালিকায় বিগত সময়ের কর্মকাণ্ডের জন্য আছেন তুরাবি।

জনসম্মুখে দেওয়া হবে কী না তা নিয়ে তালেবানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মন্ত্রীরা আলোচনা করছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আলোচনার পর এ ব্যাপারে তারা একটি নীতিমালা গঠন করবেন। তালেবানের এর আগে শাসনামলে শিরশ্ছেদের মতো কঠোর শাস্তি সাধারণত কার্যকর করা হতো কাবুলের স্টেডিয়ামে কিংবা ঈদগাঁয়ের মতো জন সমাগমস্থলে।

তিনি জানান, বিশ্বজুড়ে আমাদের সমালোচনা হয়েছে স্টেডিয়ামে শাস্তি দেওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা তো তাদের আইন নিয়ে কখনো কিছু বলিনি।

 

তালেবান ঘোষণা দিয়েছিল গত ১৫ আগস্ট আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখলের পর বিগত শাসনামলের কঠোর রক্ষণশীল মনোভাব থেকে তারা সরে আসবে। এরইমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বেশকিছু অভিযোগ এসেছে।

  • 6
    Shares