230 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আমেরিকা নির্বাচন ২০২০: জো বাইডেন নতুন প্রশাসনের শীর্ষ ছয় কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করলেন।

ছবির উৎস,REUTERS

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্কঃ

আমেরিকা ঘুরে দাঁড়িয়েছে’, এই ঘোষণা দিয়ে তিনি বলছেন, ”বিশ্ব থেকে মুখ ফিরিয়ে নয়, বরং বিশ্বকে নেতৃত্ব দেয়ার জন্য প্রস্তুত”

 তার নতুন ঘোষিত নিয়োগ অনুমোদন পেলে এভ্রিল হাইনেস হবেন যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের প্রথম নারী পরিচালক। আলেহান্দ্রো মায়োর্কাস হবেন প্রথম ল্যাটিনো হোমল্যান্ড সিকিউরিটি প্রধান।

 ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরুর পক্ষে সম্মতি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। সুতরাং এখন থেকে সর্বোচ্চ গোপনীয় বা টপ সিক্রেট গোয়েন্দা তথ্য পেতে শুরু করবেন জো বাইডেন।

 যদিও বর্তমান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো পরাজয় মেনে নিতে রাজি নন। কোন তথ্যপ্রমাণ ছাড়াই আগের মতো তিনি দাবি করে চলেছেন যে, তেসরা নভেম্বরের নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।

 হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় মি. বাইডেন এখন প্রতিদিন আন্তর্জাতিক হুমকি এবং নানা বিষয়ের তথ্যের পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং দায়িত্বভার গ্রহণের প্রস্তুতির জন্য কয়েক মিলিয়ন ডলারের তহবিল পাবেন।

নতুন প্রশাসনে কারা আসছেন?

মঙ্গলবার ছয়জন প্রধান কর্মকর্তার নাম ঘোষণা করেছেন জো বাইডেন।

 অ্যান্টনি ব্লিনকেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী: মি. ব্লিনকেন বলেছেন যে, বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র খুব শীঘ্রই নম্রতা এবং আস্থার সঙ্গে সমতার সম্পর্ক গড়ে তুলবে

জন কেরি, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক দূত: প্যারিস জলবায়ু সমঝোতার অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন জন কেরি, যে চুক্তি থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে বের করে নিয়ে গিয়েছিলেন। মি. কেরি বলেছেন, জলবায়ু সংকট সামলাতে বিশ্বকে অবশ্যই একতাবদ্ধ হতে হবে।

এভ্রিল হাইনেস, পরিচালক, ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স: মি. বাইডেন বলেছেন, আমি একজন পেশাদার ব্যক্তিকে বেছে নিয়েছি… সত্য বলার মতো একজন সাহসী লোক।

আলেহান্দ্রো মায়োর্কাস, মন্ত্রী, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি: মি. মায়োর্কাস বলেছেন, সবাইকে নিরাপদ রাখা এবং সবাইকে গ্রহণ করে নেয়ার মতো একটি দেশের গর্বিত ইতিহাস রক্ষায় এই দপ্তরের মহান দায়িত্ব রয়েছে।

জ্যাক সুলিভান, হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা: জো বাইডেনের প্রশংসা করে মি. সুলিভান বলেছেন, তার কাছ থেকে তিনি রাষ্ট্রের অনেক কায়দাকানুন শিখেছেন, তবে সবচেয়ে বেশি শিখতে পেরেছেন মানুষ সম্পর্কে।

লিন্ডা থমাস-গ্রীনফিল্ড, জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের দূত: তিনি বলেছেন, তার পেশার সঙ্গে দক্ষিণ লুইজিয়ানার শেকড় জড়িয়ে রয়েছে। সেখানকার একটি নাচ এবং রান্নার ধরণের সঙ্গে তুলনা করে তিনি প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে বহুমাত্রিক কূটনীতির ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ফেডারেল রিজার্ভের সাবেক প্রধান জ্যানেট ইয়েলেনকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে, যদিও সেই ঘোষণা এখনো আসেনি।

 মি. কেরি অথবা মি. সুলিভান ছাড়া অন্যসব নিয়োগের ক্ষেত্রে সিনেটের অনুমোদন দরকার হবে। তবে সাধারণত কোন নিয়োগ প্রত্যাখ্যাত হয় না।

 যদিও সর্বশেষ ১৯৮৯ সালে বেশ কিছু মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছিল।

সুত্রঃ বিবিসি

পথিকনিউজ/অনামিকা