256 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আলেম উলামা ও ইসলামী রাজনীতিবিদদের চরিত্র হনন করতে পারলে কাদের লাভ?

  • 24
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    24
    Shares

মুফতী মোহাম্মদ এনামুল হাসান: এখনো সময় আছে কওমী মাদ্রাসা ও আলেম উলামাদের বিরুদ্ধে বহুদূর থেকে করা ষড়যন্ত্র বুঝতে চেষ্টা করুণ, যে যা ই বলুক, বাংলাদেশের শীর্ষ উলামায়ে কেরাম ও ইসলামী বিজ্ঞ রাজনীতিবীদদের বিচক্ষণতার কারণে সম্প্রতি কয়েকবছর যাবত মৌলিক কিছু সফলতা এসেছে।
কি কি সফলতা এসেছে তা সচেতন মানুষদের অজানা নয়। এ সবকিছুই অর্জন হয়েছে উলামাদের বিচক্ষণতার কারণে। একেরপর এক সফলতা অর্জন আর রাষ্ট্রের দায়িত্বশীলদের উপর দিনদিন উলামাদের প্রভাব বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ধর্মীয় কোনো বিষয়ে উলামাদের মতামত নেওয়া বাংলাদেশের উলামাদের ঐক্যবদ্ধ শক্তির ফসল। তাই ইসলামের দুশমন গোষ্ঠী যারা বাংলাদেশে ইসলামী শক্তির অগ্রযাত্রাকে নস্যাৎ করে দেয় সবসময়, তাদের কি এই সফলতা সহ্য হবে?তাই তারা অনেক গভীর থেকে ও অনেক দূর থেকে ষড়যন্ত্রের কলকাঠি নাড়তে শুরু করে দিয়েছে । শুরু হলো কওমী মাদ্রাসা,ইসলামী রাজনীতিবিদদের বিতর্ক করার অপচেষ্টা। কিন্তু আমরা কি বুঝতে পেরেছি যে, ইসলাম, আলেম উলামা, কওমী মাদ্রাসার শক্তিশালী অবস্থান নষ্ট করতে পারলে কাদের লাভ?আলেম উলামা ও ইসলামী রাজনীতি বিদদের বিতর্কিত করে চরিত্রহনন করতে পারলে কাদের লাভ?
এক কথায় যদি উত্তর দিতে হয় তাহলে এর উত্তর হবে ইসলাম বিনাশী সাম্রাজ্যবাদী গোষ্ঠীর।
যখনি ইসলামী শক্তি বাংলাদেশে ঘুরে দাড়িয়ে যায় তখনই এই শক্তিকে নস্যাৎ করার ষড়যন্ত্র করা হয় অনেক দূর থেকে। আমাদের রাজনীতি নিয়ে গবেষণা না থাকায় আমরা হয়তো সেই ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে নিজেরা ও অতিউৎসাহী হয়ে তাদের পথ আরও এগিয়ে দিচ্ছি।
আজ অত্যন্ত সু কৌশলে টার্গেট করে করে ইসলামী ব্যক্তিবর্গ ও তাদের সন্তানদের বিতর্কিত করে আগামী প্রজন্মের অন্তরে ইসলামী রাজনীতি, আন্দোলন সংগ্রামের বিষয়ে বিদ্বেষ ছড়ানো হচ্ছে। যেন,আগামী প্রজন্ম ইসলামী সকল বিষয় থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখে।

কাজ করতে গেলে মতবিরোধ হওয়াটাই স্বাভাবিক, কিন্তু আমরা নিজেরাই আজ নিজেদের প্রতিভাবান ব্যাক্তিদের সমাজ ও রাষ্ট্রে কাছে সুনাম বিনষ্ট করে ঐসকল ষড়যন্ত্রকারীদের টার্গেট পূরণে সহায়তা করে যাচ্ছি। কিন্তু একটুও চিন্তা করছিনা যে, এই লোকগুলো ও যদি না থাকে তখন আমাদের অবস্থা কি হবে।

তাই আসুন, নিজেরা নিজেদের শক্তি গুলোকে নিশ্চিহ্ন না করে দেয়।নিজের নাক কেটে অন্যের ষড়যন্ত্রের যাত্রা শুভ করার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না হয়।
এখন যেই ষড়যন্ত্রটা হচ্ছে তা অত্যন্ত দীর্ঘমেয়াদি একটা ষড়যন্ত্র।
তাই কওমী মাদ্রাসা,আলেম উলামা, ইসলামী রাজনৈতিক নেতাদের ও কওমী মাদ্রাসার ছাত্রদের অত্যন্ত বিচক্ষণতা ও কৌশলে ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে হবে। আমাদের মতবিরোধ যেন অন্যের মত বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয় সে বিষয়ে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখতে হবে।

আজ আমাদের মনে রাখতে হবে শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক,মুফতী ফজলুল হক আমিনী, খতীব উবায়দুল হক,মাওলানা মহিউদ্দিন খান,পীর সাহেব চরমোনাই সহ এমন ব্যক্তিরা চলে গেছেন আমাদের ছেড়ে।
এখনো যারাই আছেন তাদের মতো নেতৃবৃন্দ ও অন্যদল কিংবা সম্প্রদায়ের মাঝে নেই।প্রত্যকেই যার যার অবস্থান থেকে ইসলামের সম্পদ তারা।
সম্পদ যেখানে আছে চোর ডাকাতের হানা সেখানে থাকবেই, কিন্তু আমরা নিজেরাই যেন চোর ডাকাতদের সুযোগ করে না দেই। আমাদের সম্পদগুলোকে আমাদেরই রক্ষা করতে হবে।

লেখক
যুগ্ম সম্পাদক
ইসলামী ঐক্যজোট
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা

  • 24
    Shares