174 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আশুগঞ্জের তালশহর রেলওয়ের গেইট কিপার’র উদাসীনতায় পিতাপুত্র তিনজন নিহত

  • 15
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    15
    Shares

মোঃ সাইফুল ইসলাম, আশুগঞ্জ প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের তালশহর নতুন বাজার রেলক্রসিংয়ের দায়েত্ব থাকা রেল- গেইট কিপারে কর্মরত, মোঃ আনিস মিয়ার উদাসীনতায়, প্রাণ গেল পিতাপুত্র তিনজনের।

নিহতের পরিবারের লোকজন ও স্হানীয় এলাকাবাসী সূত্রে, খোঁজ নিয়ে যানাযায়। যাত্রীবাহী একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলার ( ৮ নং) নাটাই উত্তর ইউনিয়নের রাজঘর গ্রাম থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী সিএনজি’টি তালশহর নতুন বাজার, রেলপথের চলন্ত ট্রেন, রেলক্রসিং পার হচ্ছিলো যাত্রীবাহী সিএনজিচালিত অটোরিকশা’টি। চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় যাত্রীসহ দুমড়ে মুচড়ে যায় সিএনজি’টি। এতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে পিতা-পুত্রসহ তিনজনের মৃত্যু হয়। ভয়াবহ এই ঘটনাটি পূর্বাঞ্চল রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার তালশহর নতুন বাজার, রেলক্রসিং রেল- গেইট এলাকায় ঘটে।

 

 

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) ভোরে আশুঞ্জ উপজেলার তালশহর রেলক্রসিং এলাকার ভয়াবহ ঘটনায় নিহতেরা হলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর উপজেলার নাটাই উত্তর ইউনিয়নের রাজঘর গ্রামের বৃদ্ধ সাদেক মিয়া, তাঁর দুই ছেলে রুবেল মিয়া (৩৩) এবং পাবেল মিয়া (২৩)। এছাড়া আহত হয়েছেন অপর তিনজন। এদিকে ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে রেলওয়ের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার ভোরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা পাঁচজন যাত্রী নিয়ে তালশহরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী মেইল ট্রন তালশহর রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি ট্রেনের সামনে দিয়ে দ্রুত চলে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এসময় চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি যাত্রীসহ দুমড়ে মুচড়ে যায়। সেসময় রেলক্রসিংয়ের দায়েত্বে থাকা তালশহর নতুন বাজার রেল- গেইটের, গেইট কিপার, মোঃ আনিস মিয়া, গেইট কিপার হিসেবে যে দায়েত্ব পালন করার দরকার ছিল, সে দায়েত্ব তিনি পালন করেননি। হয়তো সেই সময় তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। আর যার কারণ হিসেবে সামনে আসচ্ছে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা, এমনটায় মনে করছেন বিভিন্ন শ্রেণী- পেশার মানুষজন।

এতে ঘটনাস্থলেই পাবেল নিহত হওয়া এবং গুরুতর আহত হয় সিএনজির চালকসহ অপর যাত্রীরা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাবেলের ভাই রুবেল এবং তার বাবা সাদেক মিয়া মারা যান। গুরুতর আহত হওয়া সিএনজির চালকসহ অপর তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। ঘটনার খবর পেয়ে আশুগঞ্জ থানা পুলিশ নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এদিকে ঘটনার কারণ অনুসন্ধান এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে রেলওয়ে বিভাগের পক্ষ থেকে গঠন করা হয়েছে চার সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি। আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

আশুগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ধর্মজিত সিনহা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ‘নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটির তদন্ত চলছে।

  • 15
    Shares