392 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

আহলে হাদিস নামধারীদের কার্যক্রম বন্ধে সরাইল উপজেলা আহলে সুন্নাতের দরখাস্ত প্রদান।

  • 166
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    166
    Shares

মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামঃ-

পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন তোমরা যদি আমাকে পেতে চাও তবে আমার বন্ধু মুহাম্মদ (দঃ) কে অনুসরণ কর। আর আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা আহমদ মুজতবা (দঃ) বলেন নাজাত প্রাপ্ত দল হল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত। আর আজ সেই আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আতকে কলঙ্কিত করতে ও সরলমনা মুসলিম জনতাকে শান্তির ধর্ম ইসলাম থেকে দুরে সরিয়ে রাখতে আহলে হাদিস নামধারীরা নিরবে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। এই আহলে হাদিস নামক নামধারীরা তাদের ভ্রান্ত আক্বিদা প্রচার করতে সাম্প্রতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাধীন সরাইল উপজেলার সৈয়দটুলা গ্রামে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করলে এলাকার আলেম, ওলামাসহ মুসলিম জনতার মাঝে তিব্র দ্বিধাদ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এই দ্বিধাদ্বন্দ্ব নিরসন ও নামধারী আহলে হাদিসের সকল কার্যক্রম বন্ধে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত, বাংলাদেশ সরাইল উপজেলার পক্ষ থেকে আজ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা চেয়ারম্যান, সরাইল থানা অফিসার ইনচার্জ ও সরাইল ০৭নং ইউপি চেয়ারম্যান বরারব দরখাস্ত করা হয়েছে।

দরখাস্তে উল্লেখ করা হয়, “আহলে হাদিস নামক” নামধারীরা মুসলমানদের ঈমান ও আমল নষ্ট করতে মসজিদ ভিত্তিক কার্যক্রম চালাচ্ছে। যা প্রকৃত ইসলাম ধর্মের পরিপন্থী। তাদের এহেন এই ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকলে প্রকৃত ইসলাম ধর্ম বিকৃত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেহেতু প্রকৃত ইসলাম ধর্ম বিকৃত হওয়ার পূর্বেই আহলে হাদিস নামক নামধারীদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করা অতিব প্রয়োজন।

দরখাস্ত প্রদানকালে উপস্থিত ছিল আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা’আত, বাংলাদেশ সরাইল উপজেলার সভাপতি মাওলানা আহাম্মদ আলী, সহ-সভাপতি পীরে তরিকত মুফতি আল্লামা এম এ শহীদুল্লাহ্ জেহাদী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাদির জেহাদী, উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি মাওলানা এজেট এম সাইদুর রহমান মিল্লাত, সহ-সভাপতি পীরে তরিকত মুফতি সামছুল হক রেজভী, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা আতিকুর রহমান, যুবসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, মাওলানা সাদ্দাম হোসাই, যুবসেনার সভাপতি হাফেজ শাহাদাত হোসাইন, পীরে তরিকত একেএম আনিসুর রহমান দানিস শাহ, পীরে তরিকত মাওলানা তৈয়ব শাহ, পীরজাদা মাওলানা ওয়াহিওল্লাহ ফারুকী, মাওলানা এরশাদুল ইসলাম, হাফেজ আমিনুল ইসলাম, মাওলানা ইবারাহিম আহমেদ বাবুল, মুহাম্মদ আবুল হাসেম, মাওলানা কাউসার উদ্দিন জালালি, মুহাম্মদ আপন আহমেদ জিয়া, মুহাম্মদ আনোয়ার হোসাইনসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিল।

দরখাস্তে নামধারী আহলে হাদিসদের কয়েকটি আক্বিদা রেফারেন্সসহ তুলে ধরা হয়। আক্বিদা গুলো নিম্নরূপ।
১। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মদারুর রাসুলুল্লাহ (দঃ) (এটি পবিত্র বাক্য নয়-কালিমার মর্মকথা, পৃষ্ঠা-৩১৮)
২। সাহাবাগণের কথা দলিল স্বরুপ পেশ করা যাবেনা, এবং তাদের বুঝ নির্ভরযোগ্য নয়। (আর রাওজাতুল নাদীয়া পৃ: ১/১৫৪)
৩। মাজহাবীগন ইসলাম থেকে বহিস্কৃত, তাদের মধ্যে ইসলামের কোন অংশ নেই। (তাওহিদী এটম বোম পৃ:১৫)
৪। চার ইমামের মুকাল্লেদ ও চার তরিকার অনুসারীগন মুশরিক ও কাফির। (ইতেসামুছ সুন্নাহ : পৃ :৭৮)
৫। পাঞ্জাবী, টুটি এগুলো সুন্নতী পোশাক নয় বরং ভিক্ষা বৃত্তিরপোশাক। (দ্বীন ইসলামের জানা অজানা- পৃ:২১২-২১৩)
৬। মহিলারা পুরুষের ইমামতি করতে পারবে। ( মাসায়েলে গায়রে মুকাল্লিদিন-পৃ : ৫১২)
৭। মহিলা ও মুয়াজ্জিন হতে পারবে। (হাদিয়াতুল মাহদী-পৃ:২৩)
৮। পুরুষ একই সময়ে যত ইচ্ছা বিয়ে করতে পারবে (জাফরুল কাজী-পৃ: ১৪১)
৯। হানাফি মাজহাব ৭২টি জাহান্নামী দলের একটি দল। (মাজহাবীদের যুক্তির সন্ধান-লেখক মাও: আ: রহমান)
১০। হযরত ওমর (রা:) কুরআনের হুকুম পরিবর্তন করে ফেলেছে। (তানবীরুল আফা-ক পৃ: ৪৯৮-৪৯৯)।

  • 166
    Shares