206 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

উন্নয়নের ছোঁয়া লাগে নি জিন্দাওলী পীর শাহবাজের মাজারে 

  • 4
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    4
    Shares
হালিম সৈকত,  কুমিল্লাঃ  কুমিল্লা জেলার অনগ্রসর একটি উপজেলার নাম তিতাস উপজেলা । ঐতিহাসিক বিষয়ের মধ্যে ২ টি জিনিস বিবেচনা করা যেতে পারে। এর একটি হচ্ছে মজিদপুর জমিদার বাড়ি এবং অপরটি হচ্ছে আধ্যাত্মিক সাধক জিন্দাপীর খ্যাত হযরত পীর শাহবাজ (রঃ) এর মাজার শরীফ।  ইতিহাস ঐতিহ্যগতভাবে এই দুটিই প্রসিদ্ধ।
কথিত আছে পীর শাহবাজ আনসারী মাজার স্থলে জিন্দা গায়েব হয়েছেন। আর এ জন্যই তিনি জিন্দাপীর হিসেবে খ্যাত। তবে এর সঠিক সন তারিখ কেউ বলতে পারেন না। পীর শাহবাজ হযরত শাহজালাল (রাঃ) এর একজন সহচর ছিলেন। ৩৬০ আউলিয়া যাঁরা বঙ্গদেশে ইসলাম ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন তিনি তাঁদেরই একজন। হযরত শাহজালালের নির্দেশক্রমেই তিনি এ এলাকায় ধর্ম প্রচারের উদ্দেশে এসেছিলেন। কথিত আছে, তাঁর মাজার শরীফে কয়েক বারই বাঘের আবির্ভাব ঘটেছিল। প্রতি বছর ৫-৭ ফাল্গুন  বাৎসরিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। ওরশে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বিপত্তি ঘটে তখনই।  ভক্তবৃন্দের রাত্রিযাপন কিংবা বিশ্রামের জন্য নেই কোন আবাসস্থল।  ইবাদত করার জন্য নেই আলাদা কোন স্থান। জরুরি প্রয়োজন টয়লেট নেই, নেই কোন ওযুখানা কিংবা গোসলকানা।  সামান্য টিউবওয়েল পর্যন্ত নেই।  বর্তমানে ৪ জন মোতয়ালী থাকা স্বত্বেও কারও কোন নির্দিষ্ট দায়িত্ব বন্টন করা নেই। তদুপরি বিগত কমিটির বিরুদ্ধে ১৩ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ ওঠেছে।
প্রতি বছর বার্ষিক ওরশের সময় মাজার ডাক হয়। শুধু মাজারটাই ডাক হয় প্রায় ৩-৪ লক্ষ টাকার মতো আর সারা বছরের আয় তো রয়েছেই। এগুলো কোথায় যায়? কার পেটে যায়? মাজারে নেই কোন উন্নয়নের ছোঁয়া। জিন্দাওলী পীর শাহবাজ এর নামে সুপরিচিত হয়ে আছে এই তিতাস উপজেলা।  তাঁকে কেন্দ্র করে অনেকের রুটি রোজগারের ব্যবস্থা ব্যবস্থা হয়।  কিন্তু সেই মাজারের নেই কোন উন্নয়ন।  মাজারকে ব্যবহার করে অনেক ব্যক্তির উন্নয়ন হলেও শুধু মাজারটিই কোন উন্নতি হয় না। বছর বছর মেলাকে কেন্দ্র করে বসে শত শত দোকানপাট।
মাজারের উন্নয়নের নামে উঠে লক্ষ লক্ষ টাকা।  কিন্তু এই টাকা কোথায় যায়? কার পকেটে যায়?  কেন মাজারের সংস্কার ও উন্নয়ন হয় না?  প্রশ্ন সাধারণ মানুষের?
  • 4
    Shares