418 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

একটি প্রকল্পে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আরেকটি প্রকল্পের কাজ একই প্রতিষ্ঠানকে না দেওয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর।

  • 177
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    177
    Shares

অনলাইন ডেস্কঃ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্মাণ প্রকল্প দেরি হওয়ার একটি বড় কারণ হলো একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনেকগুলো কাজ একসাথে করে থাকে। তাই একটি প্রকল্পে কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আরেকটি প্রকল্পের কাজ একই প্রতিষ্ঠানকে না দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, চলমান কাজ শেষ করার পরই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পরবর্তী কাজ পাবে না। আমাদের নির্মাণ কল্পে দেরি হয়ে যায়। এই দেরির একটা কারণ হলো একই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অনেকগুলো কাজ পেয়ে থাকে। তাই কোন প্রতিষ্ঠানের কাজের অবস্থান কী তার তালিকা সব মন্ত্রণালয় তৈরি করবে এবং তা প্রকাশ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনের সাথে সংযুক্ত হয়ে ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে একনেক সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে পরিকল্পনা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আসাদুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসনগুলো সাংবাদিকদের অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ‘খুরুশকুল বিশেষ আশ্রয়ণ’ প্রকল্পে খরচ হবে এক হাজার ৩৩৩ কোটি ৬১ লাখ টাকা। চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের ‘আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম ফর এনহ্যান্সিং একসেস টু সার্ভিসেস (আইডিইএ) (২য় পর্যায়)’ প্রকল্পের বিষয়ে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে সচিব বলেন, আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র, ভোটার তালিকা, অন্যান্য রেজিস্ট্রেশন বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ করছে। এটার যেন একটা সমন্বিত কাঠামো দাঁড়ায় সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। ফলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এটা নিয়ে কাজ করছে। এনআইডি রেজিস্ট্রেশন, সবার আইডেন্টিটি যেন থাকে সেটা নিশ্চিত করতে হবে। শুধু ভোটার তালিকা নয়। যেখানে এ কাজটা সমন্বিত হয়, সবার জন্য সুবিধার হয় এবং কার্যকরভাবে করা যায়, সেরকম একটা প্রতিষ্ঠানে এটা ব্যবস্থাপনার জন্য তিনি দায়িত্ব দিয়েছেন।

পথিক নিউজ/অনামিকা

  • 177
    Shares