96 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

কুমিল্লায় বন্ধুকে মারার প্রতিবাদ করায় অপর বন্ধুর বাড়ীতে হামলা আহত-৬

কুমিল্লায় বন্ধুকে মারার প্রতিবাদ করায় অপর বন্ধুর বাড়ীতে হামলা আহত-৬

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মশিউর রহমান সেলিম, কুমিল্লাঃ কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার কান্দিরপাড় ইউপি’র হামিরাবাগ নলুয়া গ্রামে বুধবার রাতে এক বন্ধুকে মারার প্রতিবাদ করায় প্রতিপাদকারী বন্ধুর বাড়ীতে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ৬ জনকে আহত করেছে দুর্বৃত্তরা
এবং পিতা পুত্র দু’জনকে আশংকাজনক অবস্থায় তাৎক্ষনিক ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আহতদের চিকিৎসার পাশাপাশি আইনী ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বজনরা।

স্থানীয় লোকজন জানায়, ওইদিন রাতে হামিরাবাগ নলুয়া গ্রামের রাস্তার মাথায় দোকানের সামনে স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ আলী ইদুর বন্ধু মামুনকে ওই এলাকার দেলোয়ার মিয়ার ছেলে নোহাদ হোসেন এলোপাথাড়ি মারধর করার দৃশ্য চোখে পড়ায় দৌড়ে গিয়ে বন্ধু মামুনকে বাঁচাতে তাকে মারার কারন জানতে চাইলে, নোহাদ ও মোহাম্মদ আলী ইদু বির্কতে জড়িয়ে উভয়ের মধ্যে দস্তাধস্তি বেঁধে যায়। স্থাণীয় লোকজন এসে দু’জনকে দু’জনের বাড়ীতে পাঠিয়ে দেয়। ওইদিন রাত ৯টার দিকে নোহাদ হোসেন, তার পিতা দেলোয়ার হোসেন, স্বজন কবির, হানিফ, জহির ও ইবুসহ ৮/১০ জন লোক দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে প্রতিবাদকারী মোহাম্মদ আলী ইদুর বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ওই পরিবারের নারী-পুরুষের উপর চড়াও হয়।

এতে মহিলাদের শ্লীলতাহানী, মোহাম্মদ আলী ইদু, তার পিতা সফিক মিয়া, তার মা, তার বোন শাহনাজ, শামীমা ও সাথীসহ ৬/৭ জনকে গুরুতর আহত করে দূর্বৃত্তরা। তাদের আত্মচিৎকারে আশে পাশের লোকজন কয়েকজনকে স্থানীয় ভাবে চিকিৎসার জন্য পাঠায় এবং গুরুতর আহত অবস্থায় সফিক মিয়া ও তার পুত্র জাহিদ হাসানকে প্রথমে লাকসাম সরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের অবস্থা আশংকাজনক ভেবে তাৎক্ষনিক কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করলে তাদের দুজনের শারীরিক অবস্থা অবনতি ঘটতে থাকলে চিকিৎসকরা ওই পিতাপুত্রকে জরুরী ভাবে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারের সদস্য মাহবুব আলম জানায়, সামান্য তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা আমার পরিবারটাকে শেষ করে দিয়েছে। তারা আমার পরিবারের মহিলা-পুরুষ সকলের উপর হামলা করে গুরুতর আহত করেছে।

আমার পিতা সফিক মিয়া ও ছোট ভাই জাহিদ হাসান বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি আছেন এবং তাদের অবস্থা আশংকাজনক। স্থানীয় বিত্তশালী আবদুল মালেক সওদাগর জানায়, সফিক মিয়ার ছেলেগুলো জামায়াত-বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক ভাবে একাধিক অভিযোগ বিদ্যমান। এমনকি আমাদের ইউনিয়ন পরিষদ সহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের বিষয়গুলো নজরে আছে এবং সামাজিক ভাবেও তাদের একটি মুচলেকাও রয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সহ অভিযুক্তদের একাধিক মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও তাদের কোন বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।