188 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

কুলাউড়ায় ভন্ড কবিরাজ চিকিৎসার নামে গৃহবধূকে ধর্ষণ:আদালতে স্বীকারোক্তি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী,  মৌলভীবাজার : মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায় এক গ্রাম্য কবিরাজ এক গৃহবধূকে (১৯) চিকিৎসার নামে ধর্ষণ করেছে। এ ঘটনায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে ওই গৃহবধূর স্বামী (২২) কুলাউড়া থানায় মামলা করেছেন। স্থানীয়রা অভিযুক্ত কবিরাজ মবশ্বির আলীকে (৪৩) তাৎক্ষণিক আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ১৪ এপ্রিল ঈদুল ফিতরের দিন সন্ধ্যায় কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গৃহবধূর স্বামী মামলা করেছেন পর দিন শনিবার বিকেলে। অভিযুক্ত মবশ্বিরের বাড়ি পার্শ্ববর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাদানগর গ্রামে। ওই গৃহবধূ কিছুদিন ধরে শারীরিক বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছেন। মবশ্বির কবিরাজ হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গৃহবধূর চিকিৎসার জন্য তাঁর স্বামী ওই কবিরাজের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করেন। শুক্রবার বিকেলে মবশ্বির চিকিৎসার জন্য তাঁদের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে মাগরিবের নামাজ পড়া, চিকিৎসার প্রস্তুতির কথা বলে তিনি গৃহবধূর স্বামী ও শাশুড়িকে ঘরের বাইরে চলে যেতে বলেন। পরে ভেতর থেকে দরজা বন্ধ করে ফেলেন ককিরাজ। এর কিছু সময় পর গৃহবধূর চিৎকার শুনে স্বজনেরা দরজায় ধাক্কাধাক্কি করলেও কবিরাজ মবশ্বির সাড়া দিচ্ছিলেন না। পরে দরজা ভেঙে তারা ভেতরে প্রবেশ করলে গৃহবধূ কেঁদে কেঁদে বলেন, মবশ্বির তাঁকে ধর্ষণ করেছেন। এ সময় মবশ্বির পালানোর চেষ্টা করলে আশপাশের লোকজন ধাওয়া করে তাঁকে আটক করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকে কবিরাজ মবশ্বির আটক করে থানায় নিয়ে যায়। গৃহবধূকে রাতেই মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কুলাউড়া থানার ওসি বিনয় ভুষণ রায় বলেন, গ্রাম্য কবিরাজ মবশ্বিরকে গৃহবধূর স্বামীর করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকেলে মৌলভীবাজারের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে ধর্ষণের কথা স্বীকার করে। পরে তাঁকে মৌলভীবাজারের কারাগারে পাঠানো হয়।