446 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

কে হচ্ছেন লাকসাম পৌরবাসীর অভিভাবক নগরজুড়ে নির্বাচনী হাওয়া

  • 13
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    13
    Shares

পথিক রিপোর্ট:মশিউর রহমান সেলিম, লাকসাম

সরকারী ভাবে ইতিমধ্যে দলীয় প্রতীকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠানের সকল বাধা দূর করে নির্বাচন কমিশন আসন্ন পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা করেছে। ফলে আসন্ন এ নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে অংশ নিতে হবে। দ্বিতীয়বারের মতো স্থানীয় নির্বাচনে সরাসরি রাজনীতির রং লাগছে। জাতীয় নির্বাচনের মত নিবন্ধিত দলগুলোই এ নির্বাচনে অংশ নিবে। সরকার ৫দাপে এ নির্বাচনে আয়োজন করলেও তৃত্বীয় দাপে লাকসাম পৌরসভা নির্বাচনের তফসিল ঘোষনা আসতে পারে। ফলে ইতিমধ্যে লাকসাম পৌর এলাকায় বেজে উঠেছে নির্বাচনী ঢামাঢোল। শুরু হয়েছে অনেকেরই প্রার্থীতা নিয়ে গুঞ্জন। আবার কেউ কেউ মনে করেন ভোটাররা ব্যাক্তি দেখে নয় বরং প্রতীক দেখেই তারা ভোট দিবেন। এ নির্বাচনে হার্ড লাইনে শাসকদলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা থাকলেও প্রতিপক্ষ বিরোধীরা রয়েছে অনেকটা কৌসুলী ভূমিকায়। আগামী কিছু দিনের মধ্যে প্রধান দুই দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে চুড়ান্ত তালিকা পাওয়া যাবে বলে ধারণা করছেন অনেকেই শিপ্ল, সাহিত্য ও বানিজ্যিক নগরী খ্যাত লাকসাম দেশের মানচিত্রে পরিছিত। তবে কে হচ্ছেন পৌরবাসীর অভিভাবক।
সরজমিনে ঘুরে দেখা যায়, লাকসাম পৌরসভার এ গুরুত্বপূর্ন নির্বাচনের দিনক্ষন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই সম্ভাব্য প্রার্থীদের দূঃচিন্তাও বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাপ অনেকটাই সিমাবদ্ধ এবং দলের হাইকমান্ডের দিকে তাকিয়ে আছে। শাসকদল ও স্থানীয় প্রশাসনের সার্বিক কর্মকান্ডের প্রতি নজর একটু বেশী রাখছেন বিরোধী দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতারা। এদিকে লাকসাম পৌরসভার স্থানীয় লোকজন এলাকার উন্নয়নে ভূমিকা রাখবেন এমন প্রার্থীকে বেচে নিবেন তবে কোন বহিরাগত কিংবা বিতর্কিত লোককে ভোট দিবেন না তারা। এ অঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক বিভাজনসহ পৌর শহরের অপরিকল্পিত নগরায়নের তাল-মাতাল অবস্থাকে গুডবাই জানিয়ে নগরবাসীর কল্যানে সুষ্ঠ পরিকল্পনা নিয়ে ক্লিন ইমেজে নির্বাচনী কৌশল সাজাতে পারবে তিনিই কেবল ফলাফল ঘরে নিতে পারবেন বলে ধারনা করছেন অনেকেই। তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে দলীয় প্রতীকে মনোনয়ন দিবে সকল নেতাকর্মী তারই নির্বাচন করতে হবে এটাই স্বাভাবিক কিন্তু মাঠ পর্যায়ে পর্দার অন্তরালে ঘটতে পারে তৃতীয় শক্তি ঘিরে নাটকীয় সমীকরন। যা বাস্তবের সাথে কোন মিল নেই। এ নির্বাচনে সম্ভাব্য ক্লিন ইমেজের প্রার্থীদের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেকটা বেড়ে গেছে। তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও স্থাণীয় প্রশাসনের সার্বিক ভূমিকা নিয়ে অনেকটা সংকিত কেউ কেউ।
স্থানীয় বিভিন্ন সূত্রগুলো আরও জানায়, লাকসাম পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের সম্ভব্য কাউন্সিলরা মহল্লায় মহল্লায় গিয়ে চায়ের দোকান, ক্লাব-সমিতি, দলীয় কার্যালয়সহ নির্বাচনী আড্ডা আর আলাপচারিতায় নির্বাচনী পরিবেশ চাঙ্গা করে তুলছে। কেউ কেউ ইতিমধ্যে জেলা-উপজেলা থেকে কেন্দ্রীয় শীর্ষনেতাদের দ্বারে দ্বারে মনোনয়ন লাভে ধর্না দিচ্ছেন। যোগ দিচ্ছেন এলাকার বিভিন্ন ধর্মীয়, সামাজিক, দলীয় অনুষ্ঠান এবং ঘুরছেন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ী। এ পর্যন্ত মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ইতি মধ্যে শাসকদল আওয়ামীলীগ বর্ধিত সভা করে তিনজনের নাম জেলা ও কেন্দ্রে পাঠিয়েছে। তবে মেয়র হিসাবে তৃণমূলের আস্তার প্রতিক উপজেলা ভাইস চেয়ার মহব্বত আলী। তিনি ইতি মধ্যে পৌর এলকার জন নিরাপত্তা, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জনসচেতনতা, প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক ভাই উপজেলা-পৌরসভার নেতা-কর্মীদের মাঝে ৯টি ওয়ার্ডেই পরিচিতি লাভ করেছেন। তবে বিরোধী পক্ষের কোনো প্রার্থীর তালিকা এখনো ছোখে পড়েনি। এ ছাড়া পৌর এলাকার ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় শতাধিক কাউন্সিলর ও প্রায় ৩০ জনের মত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন।
এ দিকে বিগত নির্বাচনগুলো পরিস্থিতির আলোকে রাজনীতি কিংবা পারিবারিক সম্প্রতি বজায় রেখে বেশিরভাগ ভোটার আঞ্চলিকতার বিষয়টি মাথায় রেখে এবং প্রার্থী ও প্রতীক নিয়েও ভাবছেন কেউ কেউ। অনেক ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ে চিহ্নিত হওয়ার ভয়ে স্থানীয় পেশাজীবি ও সুশীল সমাজের লোকজন ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও এ নির্বাচন থেকে দূরে রয়েছেন বলে দাবী রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের। অপরদিকে এ নির্বাচন যাতে সহিংসতামুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয় তার জন্য স্থানীয় সংশ্লিষ্ট প্রশাসন অনেকটাই প্রস্তুত। পাশাপাশি এ নির্বাচনের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সকল বির্তকের উদ্ধে উঠে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসাবে এ নির্বাচনটি পরিচালনা করবেন বলে প্রত্যাশা পৌরবাসীর।

  • 13
    Shares
  • 13
    Shares