1274 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ক্ষমতা আর দাপটের কাছে পিষ্ট হচ্ছে মানবতা : রাবেয়া জাহান

মায়ানমারের বর্ববরতম গনগত্যার প্রতিবাদে সারাবিশ্বে নিন্দার ঝড় উঠেছে, ক্ষমতাধর মুসলিম অধিপতিরা গর্জে উঠেছে, সকল শক্তিধর নেতারা চাপের পর চাপ দিয়েছে, অথচ মায়ানমারকে তার অবস্থান থেকে এতটুকু সরাতে পারেনি। ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্যতম , নির্মম হত্যাকান্ড তারা ঘটিয়েছে, মানুষ হত্যার  সকল নৃশংসতাকে অতিক্রম করেছে,   অথচ জাতিসংঘ তাদের বিচার করতে পারেনি। তাহলে সকল রাষ্টকে মিলিত করার, জাতিতে  জাতিতে শান্তি স্থাপন করার   নামে এই সকল বিশ্ব সংগঠনগুলো কি কাজ করছে? যদি মানবতা প্রতিষ্ঠিত নাই হলো ,  জাতি সংঘের কি প্রয়োজনীয়তা?

মায়ানমার তাদের বাজেটের সবচেয়ে বড় অংশটি বরাদ্দ  রাখে সামরিক  খাতে ।  শক্তি প্রয়োগ করে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করাই তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য । মায়নমারের সাথে বন্ধুত্বসুলভ সম্পর্ক রয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর রাষ্টগুলোর , যাদের মধ্যে চীন , ভারত, জাপান উল্লেখযোগ্য। এই পৈশাচিক হত্যাকান্ড ঘটানোর পর মানায়মারকে  পৃষ্ঠপোষকতা করার পেছনে কি কারণ রয়েছে? কারণ শুধু একটাই আর তা হচ্ছে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।    তারা মানবতার চেয়ে অর্থনীতিকে এতটা গুরত্ব দিচ্ছে যে , পরিস্থিতি বুঝে , হয় তারা নিরব থাকে অথবা তারা মায়ানমারের পক্ষে কথা বলে।

মায়ানমারের দুজন সৈনিক  সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি  নিয়েছে এবং তারা স্বীকারোক্তি দিযেছে, মায়ানমারের সামরিক শাসনের অত্যাচার এবং অমানবিক কর্মকান্ডের বিষয়ে। অথচ সৈনিকদের এই স্বীকারোক্তিকে তারা নানান ভাবে কৌশলে প্রত্যাহার করেছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের রায়ের পরও তারা খুব দাপটের সাথে দেশ পরিচালনা করছে।

বস্তুত অসহায় দূর্বলদের কোন প্রকার সহায়তাই করা হয় না,  অথচ অসহায়দের সহায়তার নামে বিশ্বে কতো সংগঠন হচ্ছে। ক্ষমতা আর দাপটের কাছে প্রতিনিয়ত পিষ্ট হচ্ছে মানবতা। প্রতিটি ক্ষেত্রে, প্রতিটি স্তরে ভদ্রতার মুখোশ,  আর মুখোশের আড়ালে চলছে বাণিজ্য,  প্রতিহিংসা, প্রতিশোধপরায়ন মনোভাব।

[Sassy_Social_Share total_shares="ON"]