গোপালগঞ্জে দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য  

লেখক: লুৎফর সিকদার
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

গোপালগঞ্জে দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিস ঘুষ ও দুর্নীতির স্বর্গরাজ্যে পরিণত হয়েছে। ওই অফিসের ইউনিয়ন ভূমি সহকারি কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সেন টাকা ছাড়া কোন কাজই করেন না। ভূমি সংক্রান্ত যে কোন সেবার বিনিময়ে তিনি হাতিয়ে নিচ্ছে প্রচুর পরিমাণে টাকা। এই অফিসে গ্রাহকদের হয়রানি নিত্তনৈমত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক দিন থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও এলাকার সাধারণ জনগণ দেখা গিয়েছে দুর্গাপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ঘুষ ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ক্ষিপ্ত। সরেজমিনে জানা গেছে সে সব বিষযয়ে তার স্বীকারো ঘটনা সত্য।

তাহাকে সকল বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সঠিক স্বীকারোক্তি দিয়েছে। দুর্গাপুর ভূমি অফিসে নামজারি, জমাভাগ, খাজনা আদায়, জমির পর্চা (খসড়া) তুলা সহ ভূমি সংক্রান্ত সকল কাজে সরকারি নিয়মকে তোয়াক্কা না করে অনৈতিক ভাবে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে। চুক্তির টাকা ছাড়া কোন ফাইলই নড়ে না। টাকা না দিলে নির্ধারিত সময়ে কোন কাজ আদায় করা যায় না। এই ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা গ্রাহক থেকে বাড়তি টাকা নেয়ার পরও বিভিন্ন ভাবে হয়রারি করছে এমনটাই অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের অগোচরে মাঠ পর্যায়ের দুর্গাপুর ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছে বলে জমির কাজে আসা ভূক্তভোগীরা বলছেন। ভূমি অফিসে আসা এক গ্রাহক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) জানান, ভবানী নামে এক গ্রাহক সেদিন ছিলো শনিবার বন্ধের দিন ভুমি সহকারী সুশান্ত কুমার সেনের বাড়ি গিয়ে মোটা অংকের টাকা পৌঁছিয়ে দেন।এই অফিসের কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সেন ভূমি অফিসে কাজে আসা গ্রাহকদের কাজ সম্পাদনের বিষয়ে টাকার বিনিময়ে চুক্তি করেন।

সেবা প্রাপ্তির ২০ শতাংশ লোকই চরম হয়রানির শিকার হতে হয় আজ না-কাল সময়ক্ষেপন করে। সরকারি নীতিমালা উপেক্ষা করে অতিরিক্ত হারে দাবিকৃত উৎকোচ না দিলে সেবা গ্রহীতারা পান না তাদের কাঙ্খিত সেবা। ভূক্তভোগীরা আরও জানান, এই ভূমি অফিসের দুর্নীতি এমন চরমে পৌঁছেছে সরকারি নীতিমালার বাইরে চুক্তি অনুযায়ী মোটা অংকের ঘুষ ছাড়া কোন হয় না। নামজারির তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মোটা অংক টাকা আদায় করে এই অফিসের কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন স্তরে ভাগ দেয়ার কথা বলে। কিন্তু কাউকে কোন টাকার ভাগ না দেওয়ায় প্রতিটি অফিস ষ্টাফ ভুমি কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার সেন সম্পূর্ণ বিরুদ্ধে, শুধু পিয়ন সাহাবুল ছাড়া আর কোন অফিস কর্মচারী ভীষণ ক্ষিপ্ত।ভুক্তভোগীদের দাবী এই ভূমি কর্মকর্তার দুর্নীতি রোধে দুদক ও উর্ধ্বতন সকল কর্মকর্তাদের সু হস্তক্ষেপ জরুরী কামনা করছেন। কিছু দিন আগে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে বিশাল জাঁকজম করে অনুষ্ঠান করে বিবাহ সম্পন্ন করেন। তার গ্রামের বাড়ি রূপাহাটী টুংঙ্গীপাড়ায় বিশাল বিশাল বহুল বিল্ডিং তৈরি চলছে।তসিলদার কে আমি প্রশ্ন করলাম যে আপনি একজন তসিলদার কত টাকা বেতন দেয় বাংলাদেশ সরকার। তাহলে আপনি যাহা কিছু করছেন সরকারের অফিস থেকে দুর্নীতি ঘুষের টাকা দিয়ে বিলাশ বহুল জীবন যাপন করছেন।ঘুষ ও দুর্নীতির করে স্বর্গরাজ্য তৈরি করছেন।