98 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

চট্টগ্রামে ই-পাসপোর্ট পেতে হয়রানির অভিযোগ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

চট্টগ্রামের কর্ণফুলীর বাসিন্দা প্রবাসী মিজান। ৩১ সেপ্টেম্বর পাসপোর্ট পাওয়ার কথা। কিন্তু ভুলে এমডি এর জায়গায় মোহাম্মদ আসায় আটকে গেছে পাসপোর্ট। ভিসার মেয়াদও শেষ। ফলে যেতে পারেননি সৌদি আরব।

মিজান বলেন, সময়মতো পাসপোর্ট পেলে আমি এতদিনে বিদেশ চলে যেতাম। এই ভুল তো আমার না। তাদের ভুলে আমার বিপদ।

হাতে লেখা ও এমআরপির ভোগান্তি কমাতে চালু হয়েছে ই-পাসপোর্ট। তাতে এতটুকু কমেনি ভোগান্তি। বরং বেড়েছে নানা টেকনিক্যাল হয়রানি। আটকে যাচ্ছে পাসপোর্ট। সবচেয়ে বড় সমস্যা জাতীয় পরিচয়পত্রের সাথে আবেদনকারীর তথ্যে মিল না থাকা।

এমনই হয়রানি শিকার এক ভুক্তভোগী বলেন, পাসপোর্টের জন্য প্রায় ছয় মাস ধরে ঘুরছি। সরাসরি জমা দিতে গেলে কোনো কাগজ জমা নেয় না। দালালের কাছে গেলে সব কাজ হয়ে যায়।

তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, আবেদনকারীর অদক্ষতা ও সফটওয়্যার সিস্টেম ভোগান্তির জন্য দায়ী। সমস্যা সমাধানে কাজ করছে তারা।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের পরিচালক মো. আবু সাইদ বলেন, কোনো একটি ত্রুটির কারণে একটি পাসপোর্ট আটকে যায়, তখন সেটি নিয়মের মধ্যে থেকে সংশোধন করাতে সময় লাগে। মানুষের ভোগান্তি হয়, আমাদেরও কষ্ট হয়। তবে আমরা চেষ্টা করছি যেন এমন না হয়। আমরা তো মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্যই।

চট্টগ্রাম মনসুরাবাদ বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে প্রতিদিন ৫শো থেকে ৬শো পাসপোর্টের আবেদন জমা হয়। পাশাপাশি ডেলিভারিও হয় সমপরিমাণ।