142 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

জাতীয় শোক দিবস আজ

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পথিক রিপোর্ট: আজ ১৫ আগস্ট, জাতীয় শোক দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে সেনাবাহিনীর কিছু সংখ্যক বিপথগামী সদস্য স্বাধীনতার স্থপতি, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে। বাঙালির এই বাগ্মী নেতার আজ ৪৬তম শাহাদত বার্ষিকী।

জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে বাঙালি জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে দিবসটি পালন করবে। তবে গত বছরের মতো এবারো করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির কারণে সামাজিক তথা শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে জাতীয় শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হবে দেশব্যাপী।

বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাসভবনে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাতে সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা তাকে সপরিবারে হত্যা করে। ওই সময় ঘাতকরা শুধু বঙ্গবন্ধুকেই নয়, বরং পরিবারের ১৬ জন সদস্য ও ঘনিষ্ঠজনকে হত্যা করে। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন- বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা, বঙ্গবন্ধুর তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও ছোট্ট শিশু শেখ রাসেল। এ ছাড়া রয়েছেন পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজি জামাল এবং বঙ্গবন্ধুর অনুজ শেখ নাসের, ভগ্নিপতি আবদুর রব সেরনিয়াবাত, তার ছেলে আরিফ, মেয়ে বেবি ও সুকান্তবাবু, বঙ্গবন্ধুর ভাগ্নে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃস্বত্ত্বা স্ত্রী আরজু মনি এবং আবদুল নাঈম খান রিন্টু ও কর্নেল জামিল। ওই সময় বিদেশে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

জাতীয় শোক দিবসকে সামনে রেখে এ মাসের প্রথম দিন থেকেই করোনা মহামারি পরিস্থিতিতেও যাবতীয় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।

এদিকে, আজ জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ঐতিহাসিক ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন। পাশাপাশি বনানী কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল টুঙ্গিপাড়ায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবে। এ ছাড়া দিবসটি উপলক্ষে দেশের সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা ও প্যাগোডায় বিশেষ দোয়া ও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে। একই সঙ্গে আগামীকাল ১৬ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। তবে যাবতীয় কর্মসূচি পালন করা হবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে।

অপরদিকে, জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করবে বাংলাদেশ বেতার এবং বাংলাদেশ টেলিভিশন। এ ছাড়া জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। জাতীয় শোক দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্ব স্ব কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর ও সংস্থা। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে জাতীয় শোক দিবস পালনের অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ নিশ্চিত করে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

এইচ.কে.জে