80 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

জেলা প্রশাসক বরাবর মৎস্যজীবী জেলেদের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে স্মারকলিপি

  •  
  •  
  •  
  •  
  • 0
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
হালিম সৈকত,  কুমিল্লাঃ দেশের মৎস্যজীবী জেলেদের ৬ দফা দাবি বাস্তবায়নে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করেছে কুমিল্লা জেলা মৎস্যজীবী জেলে সমিতি।
২০ জাবুয়ারি দুপুরে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মোঃ আবুল ফজল মীর এর নিকট এই স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার সভাপতি মোঃ মনির হোসেন ভূইয়া মেম্বার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন।
করোনা সংকটের কারণে বর্তমানে বাংলাদেশে মৎস্য সম্পদ ও মৎস্যজীবীদের একটি দারুণ সংকট সময় চলছে। বেকারত্বের কারণে দিন দিন অসহায় জেলের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।  দুর্নীতির কারণে সরকারের ২০০৯ ও ২০১০ সালের মৎস্য আইন ও নীতিমালা উপেক্ষিত হচ্ছে।  তাছাড়া বিভিন্ন অকেশানে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। অনেক জেলের জমি নেই,  বেঁড়ী বাঁধের পাশে ঘর তৈরি করে বসবাস করে।  সরকারি সহায়তা যেটুকু মৎস্যজীবী জেলেদের নামে বরাদ্দ হয় সেটুকু নিয়ে যায় স্থানীয় প্রভাবশালীরা। ফলে মৎস্যজীবী জেলে পরিবারগুলো মানবেতর জীবন যাপন করছে।  তারা এগুলোর অবসান চায়। এর প্রতিকারের জন্য কিছু দাবী পেশ করেছেন জেলা প্রশাসক বরাবর।
তাদের ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে- ১. সকল নদীর মোহনায় ক্যাপিটাল ড্রেজিং করতে হবে।  ঐ সকল মোহনা থেকে খুটজাল,  নেট জাল,  বেহেন্দী জাল উচ্ছেদ করতে হবে।  মৎস্য বিভাগের সকল পর্যায়ের প্রকল্পে মৎস্যজীবী জেলে সংগঠনের প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে।
২. মৎস্যজীবী জেলেদের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে ও মৎস্যজীবী জেলেদের এফআইডি কার্ড সংশোধনে মৎস্যজীবী জেলে সংগঠনের প্রতিনিধি অর্ন্তভূক্ত করতে হবে।
৩. ভূমিহীন মৎস্যজীবীদের নামে খাস জমি বরাদ্দ দিতে হবে ও দেশের সকল নদী থেকে নেট,  বেহেন্দী ও চটজাল উচ্ছেদ করে জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৪. বন্ধ জলমহালে আয়তন ঠিক রেখে প্রকৃত মৎস্যজীবী জেলে সংগঠনের নামে বরাদ্দ দিতে হবে ।  খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরা অঞ্চলের এফ আই ডি কার্ডধারী জেলেদের সুন্দরবনে মাছ ও কাঁকড়া  আহরণে মৎস্য বিভাগের মাধ্যমে পারমিট দিতে হব।
৫. মৎস্যজীবী জেলেদের ভিজিএফ বিতরণে দুর্নীতি বন্ধের  লক্ষে মৎস্য বিভাগের মাধ্যমে ভিজিএফ দিতে হবে ও বাংলাদেশের সকল জেলায় মৎস্যজীবী জেলেদের খাদ্য সহায়তা দিতে হবে।  কক্সবাজার ও কুমিল্লা জেলাকে জাটকা জোনের আওতায় আনতে হবে।
৬. ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, জলদস্যু ও বিভিন্ন প্রাকৃতিক কারণে নিহত জেলে পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা ও নিবন্ধিত প্রত্যক জেলের নামে মৎস্য বিভাগের মাধ্যমে ১০ লক্ষ টাকার জীবন বীমা চালু করতে হবে।