215 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

জোড়া গোলে প্রথম দল হিসেবে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব

জোড়া গোলে প্রথম দল হিসেবে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব

  • 6
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    6
    Shares

খেলাধুলাঃ ইকেচকুর জোড়া গোলে প্রথম দল হিসেবে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করলো সাইফ স্পোর্টিং ক্লাব। সেমিফাইনালে চট্টগ্রাম আবাহনীকে তারা হারিয়েছে ৩-০ ব্যবধানে। সাইফের হয়ে বাকি গোলটি করেন ইয়াসিন আরাফাত।

চট্টগ্রাম আবাহনী আর সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের ম্যাচ যেন নিষ্ফলা হতেই হবে। সেটা অদৃশ্য কোন কারণেই হোক কিংবা কাকতাল! এর আগের পাঁচ দেখায় দু দল ড্র করেছে ৪ ম্যাচ, একটা জয় সাইফের। তবে এবার পুরোনো পথ মাড়ানোর সুযোগ ছিল না কারোই। কারণ লড়াইটা যে সেমিফাইনালের মঞ্চে!

ফাইনালে যাওয়ার হতছানিতে এদিন শুরুতেই বাজিমাত করে কর্পোরেট ক্লাব সাইফ স্পোর্টিং। ম্যাচের মাত্র ৮ মিনিটে সিরাজউদ্দৌলার ফ্রি কিক কাজে লাগিয়ে দলের লিড আনেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ইকেচকু।

লিড নিয়ে আরো আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠে পল পুট বাহিনী। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে হানা দিতে থাকে একের পর এক। ১৬ মিনিটে আবারো স্পট লাইটে আসেন ইকেচকু। তবে এবার তার হেড প্রতিহত হয় চট্টগ্রাম আবাহনীর গোল পোস্টে!

ম্যাচে সমতায় ফেরার মোক্ষম সুযোগ ব্লু পাইরেটরা পায় ২৯ মিনিটে। তবে ডি বক্সে গোল রক্ষককে একা পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি রাকিব। প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে অবশ্য ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেছে সাইফ স্পোর্টিংও।

বিরতি থেকে ফিরে আবারো নতুন উদ্যোমে খেলা শুরু করে দু-দল। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই লক্ষণীয় ছিলো সহজ সুযোগ নষ্টের বিষয়টি। ফলে ব্যবধান বাড়েনি সাইফের। চট্টগ্রামও ব্যর্থ হয় সমতায় ফিরতে।

খেলার ৭২ মিনিটে একটা ম্যাজিক দেখান আরিফ। মধ্যমাঠ থেকে বল নিয়ে ৪/৫ জনকে কাটিয়ে ঢুকে পড়েন চট্টগ্রাম আবাহনীর ডি বক্সে। তার থেকে পাস পান ইকেচকু। ঠান্ডা মাথায় নিখুঁত প্লেসমেন্টে এবার ব্যবধান বড়াতে মোটেও ভুল হয়নি নাম্বার থার্টি টু’র।

এর মিনিট চারেক পর ঘটে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। মিডফিল্ডে দিদিয়েরের বাজে ট্যাকলে মাঠ ছেড়ে হাসপাতালে যেতে হয় আল আমিনকে। লাল কার্ড দেখেন চট্টগ্রাম আবাহনী অধিনায়ক। দশ জনের দলে পরিণত হয় ব্লু পাইরেটরা। ফলে ম্যাচে ফেরা তাদের জন্য হয়ে উঠে আরো দুঃসাধ্য। যদিও ৭৮ মিনিটে মান্নাফ রাব্বির শট বারে লেগে ফিরে না আসলে হয়তো ম্যাচের ভাগ্য হতো অন্য রকম।

খেলার নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে জয়ের সুবাস পেতে থাকা সাইফ স্পোর্টিং প্রতিপক্ষের জালে তৃতীয় গোলের লজ্জা দেয় ৮৯ মিনিটে। এবার স্পটলাইটে আসেন তরুণ ডিফেন্ডার ইয়াসিন আরাফাত। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখে ফেডারেশন কাপের ফাইনাল নিশ্চিত করে পল পুটের শিষ্যরা।

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ঢাকা আবাহনী লড়বে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে। সে ম্যাচে যারা জিতবে তারা ট্রফি জয়ের লড়াইয়ে নামবে সাইফ স্পোর্টিং ক্লাবের বিপক্ষে।

  • 6
    Shares
  • 6
    Shares