68 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

তিতাসে দুই নারীর অনৈতিক কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা 

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
হালিম সৈকত,  কুমিল্লা কুমিল্লার তিতাসে বলরামপুর গ্রামের হোসনে আরা ও রূপালীর অসামাজিক ও অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা  অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ এপ্রিল সকাল ১১ টায় বলরামপুর গ্রামের সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।
কয়েকটি ভিডিও ও অডিও রের্কড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই প্রতিবাদী মানববন্ধনের আয়োজন করে ভূক্তভোগী পরিবার।
বলরামপুর গ্রামের মৃত কাদিরের স্ত্রী হোসনে আরা ও তার মেয়ে রুপালীকে কুপ্রভাব দিয়েছে একই গ্রামের মামুন মেম্বার, ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান প্রলয় ও হান্নান সওদাগর।  এমন অভিযোগের কয়েকটা ভিডিও ও অডিও রের্কড ভাইরাল হয়।
বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেন ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান প্রলয়,  মামুন মেম্বার ও হান্নান সওদাগর।
তারা বলেন,  হোসনে আরা ও তার মেয়ে দু’জনই খারাপ মহিলা। এলাকাবাসি এই পর্যন্ত ৮-১০ বার তাদের বিচার করেছে।  মহিলাটি সর্বশেষ গত ৭ তারিখ আল আমিন নামে এক লোকের সাথে অসামাজিক কাজের সাথে  হাতে নাতে ধরা খায়। শেষবারের মত ক্ষমা করে দেওয়ার জন্য আকুতি মিনতি করে।  আমরা গ্রামের মান সম্মানের কথা চিন্তা করে, মুরব্বিদের সাথে কথা বলে তাকে ক্ষমা করে দেই এবং গণস্বাক্ষর নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান মোঃ নুর নবীর কাছে নিয়ে যাই।  তিনি ইউএনও ও ওসিকে জানান এবং তাদেরকে সতর্ক করে দেন, যাতে ভবিষ্যতে আর এই ধরনের কাজ না করেন।
কিন্তু ওই মহিলা চেয়ারম্যান অফিস থেকে এসে কিছু কুচক্রী মহলের প্ররোচনায় আমাদের বিরুদ্ধে  নারী নির্যাতন মামলা করার পায়তারা করছে এবং সাংবাদিকদের নিকট অসত্য বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে।
এই বিষয়ে মানববন্ধনে উপস্থিত মিজানুর রহমান মাষ্টার বলেন,  এই মহিলা ও তার মেয়ে বলরামপুর গ্রামের কলংক। তারা এলাকার পরিবেশ নষ্ট করছে। তাদের অসামাজিক কার্যকলাপের কারণে অসংখ্যবার তাদের বিচার করা হয়েছে। প্রতিবারই তারা বলে এটাই শেষ,  শেষবারের মতো ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে গেছে।
এই বিষয়ে,  রুপালী বলেন,  হান্ডান সওদাগর,  মামুন মেম্বার ও ছাত্রলীগ নেতা জাহিদ হাসান প্রলয় আমাকে কুপ্রস্তাব দিছে। তারা আমার মোবাইল কেড়ে নিয়েছে।  তারা নাকি আমাদেরকে এলাকায় থাকতে দিবে না। সকলের কাছ থেকে সাইন নিয়া চেয়ারম্যানের কাছে দিছে। চেয়ারম্যান উল্টা বিচার  করছে। এখন আমরা বড় অসহায়। এলাকা ছাড়া আছি। আমাদেরকে হেনস্তা করার বিচার চাই।
বিষয়টি নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্য সৃষ্ট হয়েছে। তবে মামুন মেম্বার ও রূপালির একটি অডিও রেকর্ডে অন্য রকম আলাপের ইংগিত পাওয়া গেছে।
এই বিষয়ে মামুন মেম্বার বলেন, আমি সরল মনে তাকে পুকুরপাড়ে ডেকেছি মোবাইলটি ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি বুঝিনি সে রেকর্ড করে আমাকে ফাঁসাতে চেষ্টা করবে।