92 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

তিতাসে মসজিদ নিয়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ,  হামলা ভাংচুর

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
হালিম সৈকত,  কুমিল্লাঃ  তিতাসে মসজিদে নামাজপড়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও ভাংচুর। ২৮ মে সন্ধ্যা পৌনে ৬ টার দিকে  ঘটনাটি ঘটেছে তিতাস উপজেলার ভিটিকান্দি ইউনিয়নের রতনপুরে।
সরেজমিন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত তিন রমজানে মসজিদে নামাজ পড়তে যান মোয়াজ্জেম হোসেন।  কিন্তু    মোশাররফ মেম্বারের সাথে মোয়াজ্জেম এর কথা কাটাকাটি হয়।  রতনপুর চকের বাড়ি জামে মসজিদের ক্যাশিয়ার মালেক সরকার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন এবং মোশাররফ মেম্বারের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন।
এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এক পর্যায়ে মোশাররফ মেম্বারের মেয়ে সুজানা আফরিনের উপর আক্রমণ করে মালেক সরকারের লোকজন।  দ্বিতীয় দফা আবার মোশাররফ মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমান মাওলান এর উপর হামলা করে।
বিষয়টি নিয়ে গতকাল ২৮ মে তিন গ্রামের লোকজন নিয়ে শালিস আহ্বান করে মোশাররফ মেম্বার।  কিন্তু মালেক সরকার বিচার প্রত্যাখান করে শালিসে অনুপস্থিত থাকে।
পরে সন্ধ্যায় মোশাররফ মেম্বারের আত্মীয় স্বজন মালেক সরকারের বাড়ির পাশ দিয়ে  যাচ্ছিলেন। মালেক সরকারের ছেলের বউ গাছ থেকে আম পারছিলেন এবং তাকে দেখে মোশাররফ মেম্বারের লোকজন ইয়ার্কি দেওয়ায় মারামারির সৃষ্টি হয়।
পরে মালেক সরকারের লোকজন (প্রায় ৪০-৫০) সংঘবদ্ধ হয়ে মোশাররফ মেম্বার এর বাড়িতে হামলা এবং লুটপাট করে।  উভয় গ্রুপের ৫  জন আহত হন। মোশাররফের ছেলে মিজানুর রহমান মাওলান,  মেয়ের জামাই মির্জা,  মেয়ে সুজানা আফরিন এবং মালেক সরকার গ্রুপের আব্দুল্লাহ ও সাদ্দাম হোসেন  প্রমূখ।
মোশাররফ মেম্বারের স্ত্রী বলেন,  হামলায় নেতৃত্ব দেয় আজগর আলীর ছেলে মালেক সরকার (৫৫)।  তার নেতৃত্বে ৪০-৫০ জনের একটি বহর মোশাররফ মেম্বারের  ঘর থেকে মোট ৫ টি এন্ড্রয়েড মোবাইল সেট,  ১ টি ল্যাপটপ,  ২ টি সোনার চেইন,  ১ জোড়া কানের  দুল ও  কিছু নগদ অর্থ নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন মোশাররফ মেম্বারের মেয়ের জামাই মনিরুল ইসলাম।
বিষয়টি অস্বীকার করে মালেক সরকারের ছেলে আব্দুল্লাহ বলেন মিথ্যা   ও বানোয়াট কথাবার্তা। তারা ভাড়াটে গুন্ডা দিয়ে আমাকে তুলে নিয়ে মারধর করে।  ৩টি সিএনজি  ভরে লোকজন আমাদের বাড়িতে আসে এবং আক্রমণ করে।
তবে ওই এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যে কোন মুহূর্তে ঘটতে পারে অঘটন। তিতাস থানা পুলিশের একটি টহল দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।