194 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

তিতাসে যুবলীগ নেতা বাবুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারঃ সর্বত্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড়

  • 11
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    11
    Shares

হালিম সৈকত : ইকবাল হোসেন বাবুল একজন সংগঠকের নাম।  যিনি সংগঠন করেন নীতি ও আদর্শের।  জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে সেই ১৯৯১ সাল থেকে মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশ আ’লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ছিলেন তিতাস উপজেলার ৫ নং কলাকান্দি ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। কাজে নৈপূণ্য দেখানোয় হয়েছেন সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে দায়িত্ব পালন করছেন যুবলীগের সভাপতির। ২০১৫-২০১৯ সাল পর্যন্ত ঐতিহ্যবাহী মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশন এর সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে দুই দুইবারের নির্বাচিত অভিভাবক সদস্য ছিলেন। স্কুলে থাকা অবস্থায় ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনায় ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন।  গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের পড়াশোনা যাতে চালিয়ে নিতে পারেন সেই চেষ্টা সব সময় অব্যাহত রেখেছেন।  নিজের পয়সা খরচ করে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন অসংখ্য ছাত্রছাত্রীদের ।

বিগত দুটি ইউপি নির্বাচনে মেম্বার পদে নির্বাচন করে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে গেলেও এলাকার উন্নয়নে রাখছেন অবদান। নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জনগণের সেবায়। সব সময় চেষ্টা করেন নিজের পয়সাখড়ি খরচ হলেও জনগণের উপকার করার।
ইকবাল হোসেন বাবুলের সুনামকে ক্ষুন্ন করার জন্য একদল কুচক্রী মহল উঠেপড়ে লেগেছে।  কিভাবে তাকে হেয়প্রতিপন্ন করা যায় সেই চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।  তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ সেপ্টেম্বর মাছিমপুর চৌরাস্তার সামনে ইকবাল হোসেন বাবুলের বিরুদ্ধ ভূমিদস্যূ আখ্যায়িত করে মানববন্ধন করে।  তারা অভিযোগ করেন সরকারি খাসজমি ও ব্যক্তি মালিকানার ভূমির মাটি কেটে ফসলি জমির ক্ষতি করছে।
এই বিষয়ে যুবলীগ নেতা ইকবাল হোসেন বাবুল বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট  ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।  রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে কিছু সংখ্যক ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে আমি মাটি ব্যবসা করছি বৈধভাবে।  আমার পৈতৃক জমি ও কিছু ক্রয়কৃত জমি থেকে মাটি কেটেছি। যারা অভিযোগ করেছে তাদের যদি একশতক জমি আমি কেঁটে থাকি তাহলে আমি ১০০ গুণ বেশি ক্ষতিপূরণ দিব। তিনি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, এসব মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার কিছুই করতে পারবে না। সাময়িক হয়রানি করতে পারবে। গত দেড় বছরে আমার বিরুদ্ধে  ৭-৮ টি নামে বেনামে দরখাস্ত করেছে এই কুচক্রীমহলটি। কিন্তু কোন অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ করতে পারেনি।  সবগুলো অভিযোগের তদন্ত হয়েছে এবং  সবগুলোই মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে।  আমাকে হয়রানি করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য।  প্রপাগান্ডা ও অপপ্রচার করে আমার দীর্ঘদিনের সুনাম নষ্ট করা যাবে না। কারণ তিতাসবাসী আমাকে চিনেন। আমি কারো টাকায় রাজনীতি করি না। নিজের পরিশ্রমের পয়সা খরচ করে রাজনীতি করি।  নৌকা করাই কি আমার অপরাধ?
আর আমি কোন অভাবী পরিবারের সদস্য না যে নীতিবিরুদ্ধ কাজ করে পয়সা কামাতে হবে।
আমার বাবা আঃ আউয়াল সরকার একজন  সাবেক মেম্বার। আমার বড় ভাই জয়নাল আবেদীন সরকার একজন ইঞ্জিনিয়ার ও প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার।  বাবলু সরকার সৌদিআরব প্রবাসী,  পরেরজন কাইয়ূম সরকার একজন ব্যাংকার এবং সবশেষজন সাদ্দাম হোসেন একজন উদীয়মান ক্রিকেটার।
প্রকৃতপক্ষে আমি মাছের প্রজেক্ট করার জন্যই এই প্রজেক্টটি হাতে নিয়েছি। ইতোমধ্যে পাড় বাঁধার কাজ চলছে। উত্তর,  দক্ষিণ ও পূর্ব পাড়ের কাজ শেষ হয়েছে।
যারা বলছেন,  আমি সরকারি খাস জমি কেটে ফেলেছি,  তারা  নিজেরাই সরকারি খাস জমি থেকে বালু উত্তোলন করেছে।  চাইলে তথ্য প্রমাণ দিতে পারব।
যারা আমার বিরুদ্ধে ভূয়া দরখাস্ত ও মিথ্যা অভিযোগে মানববন্ধন করেছে তাদের এক ইঞ্চি জমিও নেই বিলে। যারা প্রকৃতমালিক তারা কেউ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে নাই। কারণ তাদের কাছ থেকে আমি সাফকাবলা জমি ক্রয় করেছি।  প্রকৃতপক্ষে আমার দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।  কিছু সিএনজি ড্রাইভারকে ভয়ভীতি  ও টাকার বিনিময়ে জোরপূর্বক মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করতে বাধ্য করা হয়েছে। আঃ রহমান ভান্ডারী ও গাজী পলাশ টাকার বিনিময়ে এসব করেছে। তাদের সাথে আরও কয়েকজন আছে যারা নিজেরাই নানা অপরাধের সাথে জড়িত।
 আমি যেখানে মাছের প্রজেক্ট করেছি সেখানে তাদের কোন জমি নেই।  মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমাকে হেয়প্রতিপন্ন করাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। আমি এসমস্ত কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করি।
  • 11
    Shares
  • 11
    Shares