দুর্গোৎসবের পর পরই লক্ষী পূজার আয়োজন

লেখক: রিমা দেব
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

মাধবপুর ( হবিগঞ্জ)

বাংলায় শারদীয়া দুর্গোৎসবের পর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়। বাঙালি হিন্দুদের প্রতি ঘরেই দেবী লক্ষ্মীর পূজা হয়ে থাকে। লক্ষ্মী হলেন ধন সম্পত্তির দেবী। ধন সম্পদের আশায় ঘরে ঘরে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজা হয়ে থাকে। নারী পুরুষ উভয়েই এই পূজায় অংশ গ্রহণ করেন। লক্ষী পুজা উপলক্ষে হবিগঞ্জের মাধবপুরে বড় বাজার গুলোতে বিক্রি করা হচ্ছে প্রতিমা।

ছোট প্রতিমা বিক্রি হচ্ছে ২ / ত শত টাকা এবং বড় প্রতিমা গুলো বিক্রি হচ্ছে ২ থেকে ৩ হাজার টাকা। পুজা উপলক্ষে ফল ও মিষ্টির দোকান গুলোতে বেড়েছে বেচা কেনা। পুজার আগের রাতেই প্রতিটি বাড়িতে তৈরি করা হবে নাড়িকেলের নাড়ু, মুড়ির মোয়া।

আদাঐর গ্রামের বাসিন্দা বাপ্পি ঘোষ জানান, বাঙ্গালি প্রতিটি ঘরে ঘরে লক্ষী পুজা করা হয়। লক্ষী পুজার সঙ্গে বাঙ্গালীর অনেক সংস্কৃতি জড়িয়ে আছে।

বাংলাদেশের পুজা উদযাপন ফ্রন্ট মাধবপুর পৌর শাখার সদস্য সচিব রিংকু দেব জানান, লক্ষী দেবী কে ধন সম্পত্তির দেবী বলা হয়। প্রতি বছর আশ্বিন মাসের শুক্লপক্ষের শেষে পূর্ণিমা তিথিতে কোজাগরী লক্ষ্মী পূজার আরাধনা করা হয়।