96 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

নাঙ্গলকোট পৌর নির্বাচনে পুরুষের চাইতে মহিলা ভোটার বেশি

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মশিউর রহমান সেলিম, কুমিল্লা: কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌরসভা নির্বাচনে সোমবার দিনব্যাপী ১ম বারের মতো ইভিএম পদ্ধতিতে কাউন্সিলর পদে শান্তিপূর্ন, জাকজমক পরিবেশে ও সাধারণ মানুষের আনন্দ উল্লাসের মধ্যদিয়ে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। জেলা-উপজেলা প্রশাসন ও নানান আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর তৎপরতার কারনে ভোট কেন্দ্রগুলোতে কোন প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এ নির্বাচনে জয়-পরাজয়ে পুরাতন প্রার্থীদের চাইতে নবাগত তরুন প্রার্থীদের প্রাধান্য পেয়েছে। ভোট কেন্দ্রগুলোতে দীর্ঘলাইনে পুরুষের চাইতে মহিলা ভোটারের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। ইতিমধ্যে এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষনার পর বিনা প্রতিদ্বন্দিতায় মেয়র পদে ২য় বারের মতো আলহাজ¦ আবদুল মালেক নির্বাচিত হয়েছেন। সাধারণ মানুষ দীর্ঘদিন পর নিজেদের ভোট পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিতে পারায় তারা অত্যন্ত খুশি।

এ নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪৩ জন প্রার্থী এবং ৩টি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করেছে। এর মধ্যে ভোট গ্রহণ শেষে ওইদিন সন্ধ্যায় ফলাফল ঘোষনায় জয় পরাজয় উঠে আসে। ১নং ওয়ার্ডে ৫জন প্রার্থীর মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন, ২নং ওয়ার্ডে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে সাবেক কাউন্সিলর মোঃ আক্তারুজ্জামান, ৩নং ওয়ার্ডে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে নবাগত জহির উল্যাহ মজুমদার সুমন,

৪নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ সাখাওয়াত হোসেন সুমন, ৫নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ শেখ রাসেল মজুমদার, ৬নং ওয়ার্ডে সাবেক কাউন্সিলর মোঃ ছাদেক হোসেন, ৭নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ জামাল হোসেন সোহাগ, ৮নং ওয়ার্ড ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে শাহ খুরশিদ আলম মজুমদার ও ৯নং ওয়ার্ডে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে মোঃ আবু জাফর এবং সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৩টি ওয়ার্ডে ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দিতা করলেও ১নং ওয়ার্ডে ২ জন প্রার্থীর মধ্যে মিসেস সাবিনা ইয়াছমিন কাজল, ২নং ওয়ার্ডে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে মিসেস ফরিদা আক্তার এবং ৩নং ওয়ার্ডে ৪ জন প্রার্থীর মধ্যে
মিসেস আয়েশা বেগম জয়লাভ করেছে।

উল্লেখ্য এ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিকারীরা সকলেই শাসকদল আ’লীগসহ অঙ্গসংগঠনের নেতা। জয় পরাজয় মূলত নিজেরা নিজেদের পক্ষে-বিপক্ষে প্রার্থী হয়েছেন। তাদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি- জামায়াতসহ অন্য কোন দল এ নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এ নির্বাচনে ৯টি ওয়ার্ডে ১১টি ভোট কেন্দ্রে ১৯ হাজার ৮’শ১১জন ভোটার ভোট প্রয়োগ করার কথা ছিলো। তবে ফলাফলে কতজন ভোটার ভোট প্রদান করেছে তা কিন্তু সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের একাধিক মুঠোফোনে বার বার চেষ্টা করেও এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।