452 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

পরীমনির জামিন শুনানি আজ

  • 1
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    1
    Share

পথিক রিপোর্ট: ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় জামিনের বিষয়ে আজ বুধবার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনির জামিনের বিষয়ে শুনানি করবেন তার আইনজীবী মুজিবুর রহমান ও নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভীসহ আরও অনেকে। এর আগে ১৬ আগস্ট গত সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালতে আসামিপক্ষের আইনজীবী মুজিবুর রহমান জামিন আবেদন করলে আদালত জামিনের বিষয়ে শুনানির জন্য আজকের দিন বুধবার ধার্য করেন। পরিমনির আইনজীবী মজিবুর রহমান জামিনের আবেদনে উল্লেখ করেন, পরীমনি জামিন পেলে জামিনের শর্ত ভঙ্গ করবেন না এবং আদালতের নির্দেশ মতে জামিনদার প্রদান করা কবে।

তিনি আবেদনে আরও উল্লেখ করেন,আসামি পরীমনি একজন নারী। ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৪৭(১) (গ) মোতাবেক জামিন পেতে পারেন। আসামি দীর্ঘ ছয় দিন রিমান্ডে থাকাসহ প্রায় ২৬ ঘণ্টা পুলিশ হেফাজতে থাকলেও মামলা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বা সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আসামির কাছ থেকে মদ ও মাদক উদ্ধার হয়নি।।আসামি নির্দোষ, ষড়যন্ত্রের শিকার বিধায় আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া আবশ্যক।আসামি ‘ভারটিগো’ এবং ‘প্যানিক অ্যাটাক’ এর রোগী দীর্ঘসময় পুলিশ কাস্টডিতে থেকে অমানবিক নির্যাতনের শিকার হয়ে বিপর্যস্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। চিকিৎসার স্বার্থে দরখাস্তকারী আসামিকে জামিনে মুক্তি দেওয়া আবশ্যক।

পরীমনি একজন প্রথম সারির চিত্রনায়িকা। ‘ফোর্বস ম্যাগাজিন’-এ ডিজিটাল তারকা হিসেবে বিশ্বের ১০০ জনের মধ্যে পরীমনির নাম রয়েছে; যা বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের জন্য গৌরবজনক। আসামি পরীমনি জেলহাজতে আটক থাকলে চলচ্চিত্র অঙ্গনের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন কোম্পানি ও চলচ্চিত্র নির্মাতাদের সঙ্গে পরীমনির যে চুক্তি হয়েছে তা ভঙ্গেরও সম্ভাবনা রয়েছে। সম্প্রতি ‘প্রীতিলতা’ নামক একটি সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রের জন্য ফটোশুট অলরেডি করা হয়েছে। মাদকের মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করা হলে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা মুজিবুর রহমানসহ আরও অনেকে জামিনের জন্য আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ধীমান চন্দ্র মন্ডলের আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১৩ আগস্ট বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে পরীমনি ও তার সহযোগীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এরপর তাদের আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে ১০ আগস্ট ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দেবব্রত বিশ্বাসের আদালত তাদের প্রত্যেকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন এবং গত ৫ আগস্ট একই মামলায় পরীমনি ও আশরাফুল ইসলাম দীপুর চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশিদ।

এর আগে ৪ আগস্ট রাতে প্রায় ৪ ঘণ্টার অভিযান চালিয়ে বনানীর বাসা থেকে পরীমনি ও তার সহযোগীকে আটক করে  র‌্যাব। তার বাসা থেকে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয় বলে জানানো হয়। আটকের পর তাদের নেওয়া হয় র‍্যাব সদর দফতরে। পরে  র‌্যাব-১ বাদী হয়ে মাদক আইনে পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা করে।

এইচ.কে.জে

 

  • 1
    Share