226 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

‘পুলিশের লোক’ পরিচয়ে ঘরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কোপাল মুখোশধারীরা

নোয়াখালীর চাটখিলে ‘পুলিশের লোক’ পরিচয় দিয়ে ঘরে ঢুকে স্বামী-স্ত্রীকে কুপিয়েছে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা। আজ শনিবার ভোরে উপজেলার ৪ নম্বর বদলকোট ইউনিয়নে ১ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মানিকপুর গ্রামের হুমায়ুনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন উপজেলার চার নম্বর বদলকোট ইউনিয়নের এক নম্বর ওয়ার্ডের উওর মানিকপুর গ্রামের হুমায়ুন কবির (৪৮) ও তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫)।

ভুক্তভোগী হুমায়ুন কবির জানান, চাঁদপুরের শাহারাস্তি উপজেলার খিরিহর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে ওমান প্রবাসী আকরাম হোসেন। মুঠোফোনে পরিচয়ের সূত্র ধরে গত ৬ মাস আগে লক্ষীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার ভাট্রা ইউপির বাক্সপুর গ্রামের আবুল কাশেমের মেয়ে সাথী আক্তারকে মুঠোফোনে বিয়ে করেন। ওই মেয়ে হাজীগঞ্জের একটি মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্রী।

করোনায় মাদ্রাসা বন্ধ হলে ওই ছাত্র বাড়িতে আসেন। প্রেম করে বিয়ে করায় মা-বাবা তাকে বাড়িতে জায়গা দেয়নি। এরপর তিনি শ্বশুরবাড়িতে গেলে সেখানকার লোকজন বিয়ে মেনে না নিয়ে তাকে অপমান করে তাড়িয়ে দেয়।

হুমায়ুন কবির ওই খবর পেয়ে সাথী আক্তারকে দেড় মাস আগে তার বাড়িতে আশ্রয় দেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাথী আক্তারের বড় বোন গত রোববার রাতে হুমায়ুন কবিরকে মোবাইলে হুমকি দেন। হুমায়ুন কবিরের দাবি, সাথীর বড় বোনই সন্ত্রাসী পাঠিয়ে তাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে।

হুমায়ুন কবির আরও জানান, ভোর ৪টার দিকে ১০-১২ জন অস্ত্রধারী মুখোশ পরে প্রশাসনের লোক পরিচয়ে তার ঘরের দরজা খোলে। এরপর সাতজন অস্ত্রধারী ঘরে প্রবেশ করে খাটের ওপর উঠে কোপাতে থাকে। এ সময় তাকে বাঁচাতে স্ত্রী এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। হুমায়ুন রড নিয়ে প্রতিহত করতে গেলে হামলাকারীরা নিজেদেরকে পুলিশের লোক হিসেবে পরিচয় দেয়। একই সঙ্গে তারা গুলির নির্দেশ দিলে হুমায়ুন ভয়ে রড ফেলে দেন। এরপর সন্ত্রাসী চলে গেলে স্থানীয়রা তাদের নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এইচ.কে.জে

 

 

[Sassy_Social_Share total_shares="ON"]