654 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

পৃথিবীতে গণতন্ত্র বা জনগণের শাসন বলে কিছু নেই – মোঃআজিজুল হুদা চৌধুরী সুমন!

  • 69
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    69
    Shares
গণতন্ত্র একটি মুখরোচক শব্দ ছাড়া আর কিছুই নয়। জনগণের নামে গুটিকয়েক ব্যক্তিই রাষ্ট্রের শাসনকার্য পরিচালনা করে জনগণের স্বার্থের পরিবর্তে নিজের ও নিজ পরিবারের স্বার্থ রক্ষায় তারা ব্যাস্ত।
যাকে আমরা সাধারণ ভাষায় গণতন্ত্র বা জনগণের শাসন বলে থাকি। আসলে এটা জনগন বা নাগরিকদের সাথে চরম ধোঁকাবাজি ছাড়া আর কিছু নয়।জনগণের অধিকার শুধু ভোট দেওয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে।ভোটের পরে শাসনকার্য পরিচালনায় জনগণের কোনো ভূমিকা থাকে না, বর্তমানে ভোটেরও প্রয়োজন হয় না।জনগণের শাসন না বলে ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তনের একটি পদ্ধতি বলাই শ্রেয়।
ভোটের মাধ্যমে মতামত প্রকাশের বা সঠিক রায় প্রদানে জনগণ ভুল করলেও সেটা গণতন্ত্র এবং জনগণের শাসন এখানেই গণতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা অথবা গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থার মৌলিকত্ব, বিশেষত্ব, এবং গুরুত্ব।
একটি মোটরগাড়ি উন্নতমানের নাও হতে পারে। তাই বলে আমরা গরুর গাড়িকে সমর্থন করতে পারি না। কারণ, একটি অনুন্নত মানের মোটরগাড়ি একটি উন্নত মানের গরুর গাড়ির চেয়ে উৎকৃষ্ট।
এই গণতান্ত্রিক যুগে, গণতান্ত্রিক চিন্তা-চেতনার অগ্রগতির যুগে, জনকল্যাণ মূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রতিযোগিতার যুগে আমরা অতীতের রাজতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র এবং সামরিক শাসনের খড়্গতলে বলি হতে পারি না।গণতন্ত্রের পক্ষে এ রকম যুক্তিবিদ ও তর্ক বাঘিশ আমরা হর হামেসাই দেখে এবং শুনে থাকি।
হাজার হাজার বছর পূর্বে প্রাচীন গ্রিস এবং রোমের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নগর রাষ্ট্রগুলোতে অতিমাত্রায় ক্ষুদ্র আয়তন এবং স্বল্প জনসংখ্যার কারণে সভা-সমিতির মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরাসরি জনগণের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়েছিল। এটাকে প্রত্যক্ষ বা বিশুদ্ধ গণতন্ত্র বলা হয়। কালের পরিক্রমায় জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে প্রাচীন যুগের নগর রাষ্ট্রের বিলুপ্তি ঘটেছে। আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার জনক ম্যাকিয়াভেলি ষোড়শ শতাব্দীতে আধুনিক জাতীয় রাষ্ট্রের গোড়াপত্তন করেন। এ জাতীয় রাষ্ট্রের বিশাল আয়তন এবং বিপুল জনসংখ্যাহেতু প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র সম্ভব নয়।
তাই নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরাই জনগণের কল্যাণে রাষ্ট্রীয় শাসনকার্য পরিচালনা করেন। এ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদেরই জন অভিমত বা জনগণের কণ্ঠস্বর বলে মনে করা হয়। তারা নির্বাচিত হয়ে জনগণের স্বার্থের প্রতিনিধিত্ব করবে বলে আশা করা হয়। এটাকে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্র বলা হয়। এ প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থাই আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার ভিত্তি।বর্তমানে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, দার্শনিক ও রাজনীতিবিদদের এসব পুরোনো খোঁড়া যুক্তির জোরেই নিজেরা পণ্ডিত বনে যান।
  • 69
    Shares
  • 69
    Shares