54 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

পোশাকের পাশাপাশি প্লাস্টিক খাতকে প্রাধান্য দিতে চায় সরকার

প্লাস্টিক খাতকে প্রাধান্য দিতে চায় সরকার

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

জাতীয় ডেস্কঃ  পণ্য বহুমুখী করতে পোশাকের পাশাপাশি প্লাস্টিক খাতকে প্রাধান্য দিতে চায় সরকার। এরই মধ্যে পরিকল্পিত প্লাস্টিক পল্লী গড়ে তুলতে আলাদা জমির বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। বিশ্বে প্লাস্টিক পণ্যের বাজার সাড়ে ৬ হাজার কোটি ডলারের। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ ও রফতানি মিলিয়ে বাংলাদেশের বাণিজ্য ৩০০-৩৫০ কোটি ডলারের মধ্যে ঘুরপাক খায়।

বাংলাদেশ মাথাপিছু সাড়ে ৭ কেজি প্লাস্টিক ব্যবহার করে। যেখানে আমেরিকায় ১১০ কেজি আর সিঙ্গাপুরে ১৩৫ কেজি। ধারণা করা হয় অভ্যন্তরীণ ব্যবহার ২০৩০ সালে বেড়ে হবে মাথাপিছু ৩৫ কেজি। ইউরোপ, আমেরিকা, ভারতসহ বিভিন্ন দেশে প্লাস্টিক পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ।

প্লাস্টিক খাতের অবদান বাড়াতে শিল্পপল্লী গড়তে ৫০ একরের জমি দেয়া হয়েছে। বর্তমানের ১০০ কোটি ডলার রফতানির দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা ব্যবসায়ীদের।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, পণ্য বহুমুখীকরণের অংশ হিসেবে প্লাস্টিক খাতের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সব রকম সহায়তা করতে প্রস্তুত সরকার।

প্লাস্টিকের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়লে পরিবেশের ক্ষতি ঠেকানোর কথাও চিন্তা করার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

অর্থনীতিবিদ ড. নাজনীন আহমেদ বলেন, প্লাস্টিক খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেয়া যেমন দরকার পাশাপাশি এই খাতের রিসাইক্লিংয়ের ব্যবস্থা করা দরকার এবং এই খাতের প্রডাক্টগুলোর মধ্যে উৎপাদনের যে সামগ্রীগুলো ব্যবহার করা হয় সেগুলো কতটুকু স্বাস্থ্যসম্মত সেগুলোও কিন্তু বিবেচনায় আনতে হবে।

দেশে ৫০০০ এর বেশি ছোট বড় প্লাস্টিক কারখানা গড়ে উঠেছে। কর্মসংস্থান হয়েছে ১২ লাখ মানুষের। এ খাত থেকে সরকার রাজস্ব পাচ্ছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা।