1189 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্নসাতের দায়ে প্রতারক গ্রেফতার

  • 72
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    72
    Shares

নুর মোহাম্মদ রিয়াজ: প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্নসাতের দায়ে দুই প্রতারককে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গত বৃহঃপতিবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে তাদেরগ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের নাম আব্দুল মালেক (৩৩) ও আবুল বাশার (৪৪)। পুলিশ ও মামলার বিবরণে জানা গেছে, বিগত ২০১৯ সনের সরকারি প্রাঃ শিক্ষক নিয়োগের সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলাধীন চন্দ্রপুর গ্রামের প্রবাসী শফিক মিয়ার স্ত্রী রহিমা খাতুন রোজী ও তারই আপন ভাইয়ের স্ত্রী তাহমিনা আক্তার এবং আত্নীয় নয়ন আক্তারের কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সর্বমোট ১২,৯০,০০০টাকা আত্নসাত করেছে। বিবরণে আরও প্রকাশ, চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারক টাকা আত্নসাত করার পর চলতি বছরে বাদী পক্ষের আত্নীয়-স্বজনকে দিয়া প্রতারক সংঘবদ্ধ দলের প্রধান হোতা আব্দুল মালেকের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তারা বিভিন্ন সাক্ষীদের সামনে টাকা দেম দিচ্ছি বলে মাসের পর মাস সময় অতিবাহিত করতে থাকে ও বিভিন্ন তারিখ দিয়ে টাকা ফেরত দেয়নি।

এব্যপারে বহু সালিশ দরবার করা হয়েছে। টাকা আত্নসাতকারীরা অবশেষে ঢাকা যাত্রাবাড়ী এলাকার বিভিন্ন স্থানে বাসা ভাড়া করে বসবাস শুরু করে এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে চাকরি দিবে বলে সহজ সরল মানুষের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারা আন্তঃজেলা প্রতারক হিসেবে এলাকায় পরিচিত।অপর এক সূত্রে জানা গেছে প্রতারক আব্দুল মালেক লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার চান্দিরগাঁও গ্রামের বাসিন্দা।তাদের বিরুদ্ধে এ-টাকা আত্নসাতের অভিযোগ ছাড়াও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।

ইতিপূর্বে, এসকল প্রতারকরা বাদী পক্ষের লোকজনের টাকা সময়মতো ফেরত না দেয়ায় ঢাকা যাত্রাবাড়ী এলাকায় প্রতারক আব্দুল মালেককে এলাকাবাসী আটক করে টাকা দেওয়ার তারিখ করে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু পরে টাকা ফেরত না দিয়ে বাদীপক্ষের লোকজনকে হুমকি দিতে থাকে। এতে, বাদীপক্ষের শিপন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা করতে বাধ্য হয়।মামলায় বিবরণে উল্লেখ আছে, বিভিন্ন সময়ে বাদীপক্ষের টাকা না দিয়ে বিভিন্ন চেক দিয়ে লোকজনকে ধোকা দিয়ে ছাড়া পেয়ে যায়। উল্লেখিত বাদীপক্ষ এবং মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ শাহীনুর রহমান খোজখবর নিয়ে দেখেন তার বিভিন্ন ব্যাংকের কোন হিসাবে টাকা নেই এবং সাক্ষরের মিল পাওয়া যায়নি।

এসকল ঘটনায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত বৃহঃপতিবার দিবালোকে প্রকাশ্যে পুলিশ প্রতারকদের প্রেফতার করতে সক্ষম হয়।গ্রেফতারকৃতদের পুলিশ আদালতে প্রেরণ করলে বিজ্ঞ ম্যজিষ্টেট প্রতারকদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে।উল্লেখ্য, পুলিশ আত্নসাতের টাকা উদ্বারে আদালতে তিনদিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট একদিনের রিমান্ড মন্জুর করে।

এসকল ব্যাপারে, যাত্রাবাড়ী থানায় বাদীপক্ষের পরিবারের ভাই শিপন মিয়া মামলা করে থাকে। মামলা নং ১২ তাং ০২/০৭/২০২০ইং।

  • 72
    Shares