746 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ফলের আড়তে মৌসুমি ফলের সরবরাহ ও চাহিদা দুটোই বেড়েছে

  • 7
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    7
    Shares

পথিক রিপোর্ট: মুন্সিগঞ্জে হাটলক্ষ্মীগঞ্জ ফলের আড়তে মৌসুমি ফলের সরবরাহ ও চাহিদা দুটোই বেড়েছে। হরেক রকমের দেশীয় ফলের পাইকারি বেচাকেনা প্রতিদিন সকাল থেকেই জমে ওঠে। সবরি কলা ও ছফেদার সঙ্গে কাঁঠালের দামও অনেক বেশি। তবে আনারসের দাম রয়েছে নাগালের মধ্যে।

মুন্সিগঞ্জের হাটলক্ষ্মীগঞ্জের আড়তগুলোর দৃশ্য দেখে সহজেই বোঝা যায় ক্রেতা চাহিদা। পুরো মৌসুম না এলেও আগেভাগেই বাজারে এসেছে জাতীয় ফল। আগে আসায় দামের চড়া দিকটিও কাঁঠালেরই দখলে।

 

বারোমাসই চাহিদা থাকে মুন্সিগঞ্জের কলার। সাগর কলা-দেশি বা নেপালি যাই হোক, চাপা ও সবরির সঙ্গে তারও গন্তব্য ক্রেতার থলেতে। অগ্নেস্বর ও আনাজ কলার বেচাকেনাও বেশ ভালো। সদ্যই গাছ থেকে বাজারে আনা হয়েছে জিভে জল আসা তেঁতুল। সব মিলিয়ে এ যেন ফলের রাজ্য।

হাটলক্ষীগঞ্জ মৌসুমি ফল আড়ত সমিতির সহসভাপতি মতিউর রহমান জানান, সরাসরি বাগান থেকে মৌসুমি ফলগুলো আনা হয় এখানে। তাই ভেজালমুক্ত ফল পেতে সবারই আগ্রহ বেশি।

মুন্সিগঞ্জ ছাড়াও রাঙামাটি, নওগাঁ, ময়মনসিংহ, টঙ্গাইল, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, ফরিদপুর ও বরিশালসহ দেশের অন্তত ৪০ জেলা থেকে আসে এই ফল।

ধলেশ্বরী তীরের ১৭টি আড়তে প্রতিদিন সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মৌসুমি ফলের বেচাকেনা চলে।

মুন্সিগঞ্জ হাটলক্ষীগঞ্জ ফলের আড়তে গিয়ে দেখা যায়, চাপা কলা হালি ৫-১২ টাকা হালি, সবরি কলা ১৫-২৫ টাকা হালি, সাগর কলা ১৫-২০ টাকা হালি, নেপালি সাগর কলা ১২-১৫ টাকা হালি, নারিকেল ৬০-৭০ টাকা প্রতি পিস, ডাব ৪০- ৫০ টাকা প্রতি পিস, বেল ১৫-৩০ টাকা প্রতি পিস

 

কাঁঠাল ২০০ টাকা কেজি, ৪০ টাকা কেজি, বড়ই ৪০-৫০ টাকা কেজি, বাঙ্গি ১০-৫০ টাকা পিস, তেঁতুল ৯০-১১০ টাকা কেজি, আনারস ১০-৩০ টাকা পিস, সফেদা ৪০-৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

  • 7
    Shares