216 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

ফাঁসির রায়ের পর যেমন ছিলো মিন্নির প্রতিক্রিয়া

বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায় শুনে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে পাঁচজন কাঠগড়ায় অঝোরে কেঁদেছেন।

  • 20
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    20
    Shares

পথিক রিপোর্ট: বরগুনার বহুল আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার রায় শুনে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত ছয় আসামির মধ্যে পাঁচজন কাঠগড়ায় অঝোরে কেঁদেছেন। আসামিরা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে মামলার অন্যতম আসামি মিন্নিকে এ সময় স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা গেছে। তিনি ছিলেন অনেকটাই নির্বাক।

অন্যদিকে, খালাস পাওয়া চার জনের মধ্যে উপস্থিত তিন আসামি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে এক অপরকে জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

এদিকে কাঠগড়ায় দাড়িয়ে অঝোড়ে কাঁদলেও রায়ের পর আদালত থেকে বেরিয়ে প্রিজনভ্যানে ওঠার সময় হাসতে দেখা গেছে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজীকে।

এ সময় তিনি হাসতে হাসতে বলেন, ‘আমরা সব আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিলাম। অতীতে যা হয়েছে তা আল্লাহ করেছেন আর ভবিষ্যতে যা হবে সেটাও আল্লাহই করবেন।’

এর আগে বুধবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. রাকিবুল হাসান ওরফে রিফাত ফরাজী (২৩), আল কাইয়ুম ওরফে রাব্বি আকন (২১), মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত (১৯), রেজোয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় (২২), মো. হাসান (১৯) ও আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি (১৯)।

এছাড়া এ মামলায় চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়েছে। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- মো. মুসা (২২), রাফিউল ইসলাম রাব্বি (২০), মো. সাগর (১৯) ও কামরুল হাসান সায়মুন (২১)।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে শত শত লোকের ভিড়ে রিফাত শরীফকে (২৫) কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার একটি ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

আলোচিত এ ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও পাঁচ-ছয়জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দু’ভাগে বিভক্ত করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এতে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

গত ১ জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। এ মামলায় মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর এ মামলার দুই পক্ষের যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান রায়ের জন্য বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিন ধার্য করেন।

  • 20
    Shares
  • 20
    Shares