334 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

মাদারীপুরের শিবচরে ঘরের আড়ার সঙ্গে থেকে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ, স্বামী পলাতক

  • 10
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    10
    Shares
মাজহারুল ইসলামঃ মাদারীপুরের শিবচরের বাঁশকান্দিতে ঘরের আড়ার সঙ্গে থেকে গৃহবধূ সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার বাশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামে মামুন চৌকিদারের বাড়ি থেকে শিবচর থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরিবারের অভিযোগ তাকে হত্যা করে মরদেহ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। পুলিশ ধারণা করছে সাথী বেগমকে হত্যা করে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে স্বামী মামুন চোকিদার পলাতক রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে যায়, বুধবার ভোরে সাথী বেগমের স্বামী মামুন চোকিদার তার শশুর বাড়িতে ফোন করে খবর দেয় সাথী  ঘরের আড়ার সাথে ওড়না পেচিয়ে সাথী আত্মহত্যা করেছে। সংবাদ শুনে ভাই আনোয়ার হোসেন ও পরিবার লোকজন এসে সাথীর মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পায়। পরে স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। এঘটনায় ভোর থেকেই স্বামী মামুন চোকিদার পলাতক রয়েছে। সাথীর পরিবার ও আত্মীয় স্বজনদের দাবী তার স্বামী মামুন চোকিদার তাকে মেরে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখেছেন। নিহত সাথী বেগম দুই ছেলে ও এক মেয়ের মা। নিহত সাথী বেগম বাঁশকান্দি ইউনিয়নের শেখপুর গ্রামের মামুন চৌকিদারে স্ত্রী ও একই ইউনিয়নের দক্ষিন বাঁশকান্দি গ্রামের আছু মদ্দিন কবিরাজের মেয়ে।
সাথীর ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, আমার বোনকে প্রায়ই যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতো। মাঝে মাঝে অনেক মারধর করতো। এই নিয়ে কয়েকবার শালিস বৈঠক ও হয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ওকে মারলে আমরা ফরিদপুর মেডিকেল ৩৬ হাজার টাকা ব্যয়ে ওর চিকিৎসা করাই। আজ আমার বোনকে মেরে ঘরে ঝুলিয়ে রাখছে। আমরা চেয়েছিলাম তাকে এই সংসার থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু স্থানীয় শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বোনকে পুনরায় সংসারে রাখার কথা বললে আমরা তাদের কথা শুনে রেখে যাই।
শিবচর থানার পরিদর্শক তদন্ত আমির হোসেন সেরনিয়াবাত জানান, আমরা ঘটনাস্থল থেকে সাথী বেগমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে সাথী বেগমকে হত্যা করে আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হবে। রিপোর্ট পাওয়ার পরে স্পষ্টভাবে জানা যাবে হত্যা নাকি আত্মহত্যা। এ ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
  • 10
    Shares
  • 10
    Shares