283 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচন: যে ইস্যুতে মঙ্গলবার ঘায়েল হতে পারেন ট্রাম্প

  • 12
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    12
    Shares

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা- দুদিক থেকেই যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের তালিকার এক নম্বরে।

এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রে ৯০ লাখেরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছে।মারা গেছে দুই লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি।

প্যানডেমিকের ভয়াবহ এই চিত্র এখনও বিন্দুমাত্র মলিন হয়নি। বরঞ্চ নির্বাচনের ঠিক আগে সংক্রমণের সংখ্যা আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বাড়ছে। প্রতিদিন এখন প্রায় ৮৯ হাজার আমেরিকান নতুন করে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হচ্ছে।

মার্কিন বিশ্লেষকদের মধ্যে বড় কোনো দ্বিমত নেই যে আমেরিকায় এবারের নির্বাচনে এক নম্বর ইস্যু – করোনাভাইরাস। তাদের অনেকেই বলেছেন, এবার রেকর্ড আগাম ভোটের অন্যতম কারণ কোভিড।

বিধিনিষেধেরে কারণে মঙ্গলবার কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে না পারার উদ্বেগ যেমন এই আগাম ভোটারদের মধ্যে কাজ করেছে তেমনি – অনেক র্পযবক্ষকের মতে – কোভিড মোকাবলোয় সরকাররে পারফরমেন্স নিয়ে তাদের মনোভাব ব্যালটের মাধ্যমে দেখাতে অনেকেই উন্মুখ।

রর্কেড ৯ কোটি ভোটার আগাম ভোট দেখিয়েছেন যা ২০১৬ সালে দেওয়া মোট ভোটার উপস্থিতির ৬০ শতাংশ।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে গত সাত মাস ধরে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই প্যানডেমিক সামাল দিতে যা করেছেন বা বলছেন, ভোটের সিদ্ধান্তে তার প্রভাব কী হচ্ছে?

দুদিন আগেও ওয়াশিংটনের রাস্তায় বিবিসির একজন সংবাদদাতা ভোটারদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া শুনেছেন।

কৃষ্ণাঙ্গ এক তরুণীর কথা ছিল – “যেভাবে তিনি (প্রেসিডেন্টে ট্রাম্প) পরস্থিতি সামলাচ্ছেন তা খুবই র্দুবল।“ অন্যদিকে মাঝবয়েসী শ্বেতাঙ্গ এক নারীর কথা ছিল এরকম -“প্রেসিডেন্ট চাইছেন সবাই যেন আতঙ্কিত না হয়ে পড়ুক। আমি সেটা পছন্দ করছি। আরকে শ্বেতাঙ্গ তরুণীর বক্তব্য – “অত্যন্ত ভালো কিছু তিনি করেননি, আবার যে খুব খারাপ কিছু করেছেন তাও আমি বলব না।“

ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক এবং বিশ্লেষক জো র্গাসটনেসন বলছেন, প্রেসিডিন্ট ট্রাম্প করোনাভাইরাসের মোকাবেলা যা করেছেন অধিকাংশ আমেরিকান তাতে খুশী নন।

বিবিসিকে তিনি বলেন, “প্রেসিডেন্ট যা করছেন তা হলো প্রতিদিনের পরিস্থিতি আঁচ করার চেষ্টা করে সেই মত তিনি সাড়া দিচ্ছেন।“

র্সবশেষ জনমত জরীপও বলছে যে প্রতি ১০ জন আমেরিকানদের সাত জনই মনে করছনে কোভডি-১৯ নিয়ে প্রেসিডেন্ট ‘ভুল র্বাতা‘ দিচ্ছেন। তবে রিপাবলিকান সর্মথকদের িসংহভাগই এ ব্যাপারে প্রেসিডেন্টের পেছনেই রয়েছেন।

অধ্যাপক র্গাসটনেসন বলেন, “শুধু যে দলীয় আনুগত্যের ভিত্তিতে মতামত ভিন্নতা রয়েছে তাই নয়, এলাকা ভিত্তিতেও জনমত ভিন্ন। যে এলাকার মানুষ এই প্যানডেমিকে মানুষ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারা ক্ষিপ্ত।”

সর্মথনের নিক্তিতে ওঠানামা

যেমন, বছরের শুরুর দিকে অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে জনমত জরীপে জো বাইডনে খুব সামান্য এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু গ্রীষ্মে ঐ রাজ্যে কোভিড-১৯ ভয়ঙ্কর রূপ নেওয়ার পর বাইডেনের পক্ষে সর্মথন অনেক বেড়েছে অ্যারিজোনায় এই প্যানডেমিকে এখন র্পযন্ত মারা গেছে ৫৯২০ জন।

উইসকনসনি অঙ্গরাজ্যে ২০১৬ সালের ভোটে প্রসিডেন্ট ট্রাম্প সামান্য ব্যবধানে জিতেছিলেন। এবারও বছরের অধিকাংশ সময় জুড়ে ট্রাম্পের সর্মথনে তেমন কোনো ভাটা দেখা যায়নি। কিন্তু অক্টোবর মাসে হঠাৎ সংক্রমণ হুহু করে বাড়তে থাকায় জনমত ঘুরে গেছে। র্সবশেষ জনমত জরীপে উইসকনসনি জো বাইডনে ট্রাম্পের চেয়ে সাত থেকে ১৭ পয়ন্টে এগিয়ে গেছেন।

খবর: বিবিসি বাংলা

  • 12
    Shares
  • 12
    Shares