393 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

যুবসেনার পক্ষ থেকে দেশ ও প্রবাসের সকলের প্রতি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা রইল “ঈদ মোবারক”।

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পথিক রিপোর্ট: বিশ্ব যখন প্রাণঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রভাবে এক দেশ আরেক দেশ থেকে বিচ্ছিন্ন। লক্ষ কুটি কর্মজীবী মানুষ যখন করোনার লকডাউনে পতিত হয়ে কর্মহীন অসহায় ভাবে নিরবে নিভৃতে জীবন যাপন করছে। কেউ একবেলা খেয়ে কেউবা না খেয়ে যখন দিনাতিপাত করছে। তখন দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পরে বিশ্বঘরে মুসলিম মিল্লাতের সবচেয়ে বড় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আগমন ঘটল। বরাবরই এই ঈদ-উল-ফিতর বাংলাদেশ সহ সমগ্র পৃথিবীর ইসলাম ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের ঘরে ঘরে আনন্দের বার্তা নিয়ে এসেছিল। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। করোনা ভাইরাস কে অপেক্ষা করে আমার সবুজ শ্যামল বাংলা সহ বিশ্বব্যাপী চলছে পবিত্র ঈদুল ফিতরের বাধভাঙ্গা আনন্দ উল্লাস। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের এই বাধভাঙ্গা আনন্দ উল্লাস উপলক্ষে দেশ ও প্রবাসের সকলের প্রতি বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের পক্ষ থেকে যুবসেনা কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রসেনার সাবেক সফল সভাপতি যুবনেতা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

 

“ঈদ মোবারক”     “ঈদ মোবারক”      “ঈদ মোবারক”।

 

বিবৃতিতে তিনি বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের এই বাধভাঙ্গা আনন্দ উল্লাসে আমি ও আমার রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনাও উল্লাসিত। তিনি বলেন, প্রাণঘাতী মহামারী করোনা ভাইরাস বিশ্বব্যাপী যে ভাবে আক্রমণ করেছে এই আক্রমণ থেকে নিজ পরিবার কে সুরক্ষা থাকতে স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি সরকারি নিয়মনীতি মেনে চলা একান্ত প্রয়োজন। যদি আমরা স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নিয়মনীতি না মেনে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ উদযাপন করি তবে আমাদের পরিবার সহ দেশবাসী অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ঝুঁকিতে পতিত হতে পারে। তাই নিজ পরিবার সহ দেশবাসী কে সুস্থ রাখতে ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ উদযাপনে স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নিয়মনীতির বাহিরে চলাচল করা যাবেনা।

 

তিনি আরও বলেন, ঈদের দিনে ঈদগাহের প্রতিটি ঈদের জামা’আত মুসলিম সম্প্রদায় কে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে যেত। ঈদের জামা’আত শেষে মুসলমান সালাম ও কোলাকুলি করে অন্য এক আনন্দ উপভোগ করত। এই সালাম ও কোলাকুলি থেকে চিরশত্রুও বাদ যেতনা। প্রতিটি ঈদ চিরশত্রু কেও অতি আপন করে তুলত। তিনি অত্যন্ত দুঃখপ্রকাশ করে বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রভাবে আমরা এই ঈদে-ঈদের জামা’আত, সালাম ও কোলাকুলি থেকে বঞ্চিত। স্বাস্থ্যবিধির পাশাপাশি সরকারি নিয়মনীতির বাহিরে গিয়ে আমরা কিছুই করতে পারবনা। যার ফলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের ঈদের জামা’আত পড়তে ঈদগাহে যেতে পারছিনা। মহামারী করোনা ভাইরাস সংক্রামণ রোধে দেশ ও প্রবাসের মুসলিম মিল্লাত কে নিজনিজ বাসস্থানে আবদ্ধ থেকে পরিবার পরিজনের পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ উদযাপন করার জন্য বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ তিনি আহবান জানান। তিনি বলেন, ঘরে থাকুন নিরাপদে থাকুন, পরিবার পরিজন কে নিরাপদ রাখুন। নিজ পরিবার সহ দেশ ও বিশ্ববাসী কে করোনা ভাইরাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা রাখতে সকল কে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের আনন্দ উল্লাস উদযাপন করাও আহবান জানান।