262 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন খালগুলোকে দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার

সম্মেলন কক্ষে এলজিআরডি মন্ত্রীর ব্রিফিং। ছবি: সংগৃহীত

  • 22
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    22
    Shares

অনলাইন ডেস্কঃ

বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী  জানান,রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন খালগুলোকে দুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের কাছে ঢাকা শহরের খালগুলো হস্তান্তর করা হবে।  এই বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘এক সময় খালের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের হাতেই ছিল এবং আইনেও তাই আছে। পরবর্তীতে কোন এক সময়ে রাষ্ট্রপতির আদেশে সেটি ঢাকা ওয়াসার হাতে দেওয়া হয়। এখন দুই সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তারা খালের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। আজ সকলে মিলে আলোচনায় বসে আমরা ওয়াসা থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনের নিকট খালসমূহ হস্তান্তরের বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা শহরের ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সংস্কারসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহ এতদিন ওয়াসা দায়িত্ব পালন করেছে। দায়িত্ব পাওয়ার পর দুই সিটি কর্পোরেশন পালন করবেন। পানি নিষ্কাশনের জন্য জনবল, যন্ত্রপাতিসহ সবকিছুই সিটি কর্পোরেশনের কাছে আছে, তাদের সক্ষমতা আছে। দুই মেয়র অত্যন্ত আন্তরিক এবং জনবান্ধব তারা একাজ স্বতঃস্ফূর্ত ভাবে করতে পারবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।

মন্ত্রী বলেন, হস্তান্তর কাজটি এখন কিভাবে সুন্দরভাবে সম্পন্ন করা যায় এ লক্ষ্যে আজকেই একটি কারিগরি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন থেকে চারজন করে আটজন, ঢাকা ওয়াসা থেকে চারজন এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ ইবরাহিমকে আহ্বায়ক ও মোহাম্মদ সাঈদ উর রহমানকে সদস্য সচিব করে এই কমিটি করা হয়েছে।

গঠিত এই কমিটি সিটি করপোরেশন কিভাবে কাজ করবে, ওয়াসা কিভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে সে বিষয়ে প্রতিবেদন দেবে। সে অনুযায়ী আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পাদন হবে। কমিটি আগামী ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট দেবে। সেই রিপোর্টের আলোকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

রাস্তা খোড়াখুড়ি বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পৃথিবীর আধুনিক শহরে ইউটিলিটিক্যাল সাপোর্ট দেওয়ার জন্য পাইপলাইন স্থাপন করতে হয় এবং সময় সময় ক্যাপাসিটির জন্য পরিবর্তনও করতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে মেয়রসহ বিশ্বব্যাংকের সাথে বৈঠক হয়েছে বলেও জানান তিনি।সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ এবং মন্ত্রণালয়ের ও দুই সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পথিকনিউজ/অনামিকা

  • 22
    Shares
  • 22
    Shares