310 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

রাসুল (ﷺ) ও কুরআন অবমাননার প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত।

  • 223
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    223
    Shares

প্রিয় নবী ও কুরআনের প্রতি অবমাননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্র।
– স.উ.ম. আবদুস সামাদ।

মুহাম্মদ রফিকুল ইসলামঃ- ফ্রান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় রাসূল (ﷺ) কে নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশ ও সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মালমো শহরে উগ্রপন্থী খ্রিষ্টান কর্তৃক পবিত্র কুরআন শরীফে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে দেশব্যাপী বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি ঘোষণা করে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা ও ছাত্রসেনা ঢাকা মহানগরের উদ্যোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ০৮ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১২ ঘটিকায় মানববন্ধনটি জাতীয় প্রেসক্লাব প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক, মহানগর ইসলামী ফ্রন্টের অর্থ সম্পাদক জননেতা এডভোকেট হেলাল উদ্দিন।

মানববন্ধনে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জননেতা আলহাজ্ব অধ্যক্ষ স.উ.ম. আবদুস সামাদ। এ সময় তিনি বলেন, প্রিয় নবী ও কুরআনের প্রতি অবমাননা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের গভীর ষড়যন্ত্র। হজরত মুহাম্মদ (ﷺ) এঁর শানে অবমাননায় কোন মুসলমানের রক্ত শীতল থাকতে পারে না। অথচ প্যারিসের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় বারংবার প্রিয় নবীজিকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে শান্তিপ্রিয় মুসলমানদের কলিজায় আঘাত করে যাচ্ছে। অপর দিকে সুইডেনের খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠি কুরআনে অগ্নিসংযোগ করে বিশ্বকে উত্তপ্ত করে তুলেছে। সেই অনলে বিশ্ব শান্তি ঐক্য সংহতি সব পুড়ে ছারখার হওয়ার পূর্বেই বিশ্ব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগ সহ ফ্রান্স ও সুইডেন সরকারকে গোটা বিশ্বের মুসলমানদের কাছে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা অপরিহার্য।

তিনি আরো বলেন, রাসূল (ﷺ) কে নিয়ে ফান্সের বিতর্কিত পত্রিকা শার্লি এবদোয় নিষিদ্ধকরণ এবং সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর মালমোতে খ্রিষ্টান উগ্রগোষ্ঠি কর্তৃক কুরআন পোড়ানোর সাথে জড়িতদের শাস্তি প্রদানসহ ফ্রান্স ও সুইডেনকে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে জাতিসংঘের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টির করতে সংস্থার প্রধান নির্বাহী মহাসচিব কে আহবান জানান। বিশেষ অতিথি ছিল, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম সাংগঠনিক সচিব জননেতা সৈয়দ মুজাফফর আহমাদ, জননেতা এড. ইসলাম উদ্দীন দুলাল, মাও. মুহিউদ্দীন হামিদী, মাও. বদরুল আলম, মাও. আব্বাস উদ্দীন, যুবসেনার সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আবু নাছের মুহাম্মদ মুসা।

মহানগর ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ আব্দুল হাকিমের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা ইমরান হুসাইন তুষার, সাংগঠনিক সম্পাদক কাউসার আহমদ রুবেল, যুবসেনা ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ মাসউদ হোসাইন, যুবসেনার কেন্দ্রীয় সহ-অর্থ সম্পাদক এড. আবুল কালাম আজাদ, মাও. ফরহাদুল ইসলাম বুলবুলি, কাজী জসিম উদ্দিন নুরী, কাজী তৈয়্যব আলী, মাইনুল ইসলাম, মুফতি মোবারক হোসাইন, শেখ বোরহান উদ্দিন, হাফেজ ওমর ফারুক, হাফেজ জাহিদুর রহমান, খাজা সাইফুল হক আখন্দ, রফিকুল ইসলাম, আহমাদ রেজা সবুজ, সৈয়দ মুহাম্মদ আলী বসনি, আরিফুল ইসলাম, ইয়াহইয়া বিন সিদ্দিক, হাফেজ রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ কবির হোসেন, মুহাম্মদ উল্লাহ্, হোসাইন রেজা, আল-মিরাজ, শরীফুল ইসলাম, মাহমুদুল হাসান রিয়াদ, দিদার হোসেন, ওমর ফারুক, হাফেজ রাকিব প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, মুসলমান জাতিকে আরও শত্রুভাবাপন্ন করে তোলার ইন্ধন জোগানো হচ্ছে, মুসলিমদের হেয় করে উসকে দেওয়া হচ্ছে। এটা কখনোই মুক্তচিন্তা বা ‘রাইট টু ফ্রিডম অব স্পিচ’ হতে পারে না। বরংচ গোঁড়ামি ও বিদ্বেষমূলক আচরণের বহিঃপ্রকাশ এবং একটা বৃহৎ জনগোষ্ঠীর ধর্মানুভূতিতে আঘাত করা। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধির কার্যালয় অভিমুখে এগিয়ে গেলে পুলিশের বাঁধা ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে একটি প্রতিনিধি দল জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধিকে স্বারকলিপি প্রদান করে।

  • 223
    Shares
  • 223
    Shares