472 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

লাকসামে ব্যাটারী চালিত রিক্সা বন্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

লাকসাম প্রতিনিধি, কুমিল্লাঃ ব্যাটারী চালিত রিক্সা-ভ্যান বন্ধে সরকারি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবীতে কুমিল্লার লাকসাম পৌরশহরে এক বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অটোরিক্সা, ভ্যান ও মিশুক শ্রমিকরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকালে লাকসাম পৌরশহরের লাকসাম-চৌদ্দগ্রাম সড়কের ফায়ার সার্ভিস অফিসের সামনে ঘন্টাব্যাপী রিক্সা শ্রমিকদের এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সামবেশে শ্রমিকরা আধুনিকায়ন, পরিবেশ বান্ধব ও সঠিক নীতিমালা প্রনয়ন করে ব্যাটারী চালিত সকল পরিবহনের পৌর লাইসেন্স প্রদানের দাবী জানান। অন্যথায় আগামী রবিবার সমাবেশ থেকে হরতাল-অবরোধসহ কঠোর আন্দোলনের হুমকি দেন তারা।

সূত্রগুলো আরো জানায়, অটোরিক্সা ভ্যান চালক শ্রমিক ইউনিয়নের উদ্যোগে এ বিক্ষোভ সমাবেশে পৌরশহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড এবং উপজেলার বিভিন্ন ইউপি থেকে আগত রিক্সা চালকরা ওইদিন বিকাল ৩টা থেকে ওই এলাকায় জড়ো হতে থাকে। প্রায় ঘন্টা ধরে ওই সড়কে বিক্ষোভ করতে থাকে। সেখানেই শুরু হয় বিক্ষোভ সমাবেশ।

রিক্সা শ্রমিকরা পৌরশহরের প্রানকেন্দ্র দৌলতগঞ্জ বাজারে ঢুকতে চাইলে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন লাকসাম-নোয়খালী আঞ্চলিক মহাসড়কের বাইপাস চত্তরে তাদেরকে আটকে দিলে পুনরায় তারা পূর্বের ওইস্থানে গিয়ে আগামী রবিবার সমাবেশের মাধ্যমে বৃহত্তর কর্মসূচী ঘোষনা করবেন বলে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এ কর্মর্সচী শেষ করেন।

অটো রিক্সা শ্রমিকরা জানায়, জেলা দক্ষিনাঞ্চলের ৫টি উপজেলার মোহনা এবং বানিজ্যিক নগরীখ্যাত এ লাকসাম। এ অঞ্চলে চলমান মহামারী করোনার কারনে এমনিতেই বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, বিভিন্ন ট্রেডের শ্রমিকরা কাজ হারাচ্ছে।

সেখানে নিজেদের জীবন জীবিকা নির্বাহ করতে ব্যাটারী চালিত রিক্সা চালিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে আছে। সরকারের হঠাৎ এমন আত্মঘাতি ঘোষনার ফলে এ অঞ্চলে কয়েক হাজার রিক্সা শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বেন। ধার-দেনা কিংবা এনজিও কিস্তি নিয়ে এ রিক্সা ক্রয় করে আমরা চালাচ্ছি। এ অবস্থায় ব্যাটারী চালিত রিক্সা- ভ্যান চালানো বন্ধ করে দিয়ে আমাদের না খেয়ে মারার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সরকার এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার না করলে আগামী রবিবার থেকে আমরা কঠোর আন্দোলনে যাবো।

পৌর কর্তৃপক্ষের একটি সূত্র জানায়, সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রানালয় এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে এতে আমাদের কিছুই করা নাই। তবে পৌরশহরে পায়ে চালানো অটোরিক্সা চালাতে পৌরলাইসেন্স ফি মওকুফ, নানাহ সুবিধাসহ বিশেষ পুরস্কারের কথা ঘোষনা করেছেন।

এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন শ্রমিক নেতাদের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও বিস্তারিত তথ্য জানা সম্ভব হয়নি।