518 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

লাকসাম শ্রীয়াং দাস বাড়ীতে দূর্বৃত্তের হামলা লুটপাট- ভাংচুর ৫ মহিলা আহত

মশিউর রহমান সেলিমঃ  কুমিল্লা লাকসাম উপজেলার মুদাফরগঞ্জ দক্ষিণ ইউপির শ্রীয়াং গ্রামের দাস বাড়ীতে সোমবার বিকেলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে স্থানীয় কতিপয় দূর্বৃত্ত দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়েছে। এ হামলায় ওই পরিবারের ৫ মহিলা সদস্য গুরুতর আহত হয়ে বর্তমানে কুমিল্লা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ নিয়ে এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়েরর মধ্যে এক অজানা আতংক বিরাজ করছে।
স্থাণীয় একাধিক সূত্র জানায়, ওই বাড়ীর শিপন দাসের চাচা প্রয়াত হারাধন দাসের একাধিক বিয়ে এবং তার মৃত্যুর পর ঢাকা ডেমরা এলাকার এক মুসলমান মহিলার স্বামী দাবী করা ও হারাধন দাস মুসলমান হয়েও মৃত্যুকালে তার মরদেহ শরিয়ত মোতাবেক দাফন না করে পুড়িয়ে ফেলা ঘিরে এলাকায় নানাহ বির্তকের সৃষ্টি হয়েছে। তবে ঢাকার ওই মহিলার হারাধনের স্ত্রী দাবী করে একাধিকবার এলাকায় এসে নানাহ ঝামেলা সৃষ্টি করে আসছিলো। অথচ ঢাকার ওই মহিলাকে হারাধনের বিয়ের কথা এলাকার লোকজন তো দূরের কথা পরিবারের কেহই জানে না।
ওই মহিলা এলাকার কিছু লোকককে মেনেজ করে গতকাল সোমবার বিকেলে জোরপূর্বক ২৫/৩০ জন সন্ত্রাসী নিয়ে শিপন দাসের বসত ঘরে ঢুকার চেষ্টা করলে, এ সময় বাড়ীতে কোন পুরুষ না থাকায় শিপন দাসের বোনেরা প্রতিরোধের চেষ্টা চালায়। কিন্তু বহিরাগত সন্ত্রাসীরা তাদের বেদম মারধর, শ্লীলতাহানীসহ বসত ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর, নগদ টাকা, স্বর্নালংকার, দলিলপত্রসহ বিভিন্ন মালমাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে শিউলী রানী দাস, গীতা রানী দাস, শান্তি রানী দাস, বানী রানী সূত্রধর ও রীনা রানী সূত্রধর সহ ৫ জন গুরুতর আহত হয় এবং তাদেও আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসী পালিয়ে যায়। এ এলাকায় দীর্ঘদিনের নোংরা রাজনীতির কারণে এলাকায় একাধিক ঘটনা ঘটে চলেছে। স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় গুরুতর আহত ৫ জন বোন প্রথমে লাকসাম একটি প্রাইভেট হাসপাতালের মাধ্যমে দ্রুত কুমিল্লা সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। নিজ বাড়ীর এ ঘটনা শুনে শিপনের মা তাৎক্ষনিক ষ্টোক করে বর্তমানে ঢাকা বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে আশংকাজনক অবস্থায় ভতি রয়েছেন। খবর পেয়ে লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে এ ব্যাপারে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিসহ জনপ্রতিনিধির সাথে কথা বলেন। এ রির্পোট লেখা পর্যন্ত পারিবারিক ভাবে শিপন দাস মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতদের ভাই শিপন দাস মুঠোফোনে জানায়, স্থানীয় কতিপয় লোকের কারণে আমি বার বার নির্যাতিত হচ্ছি। এলাকার নোংরা রাজনীতির কারণে আজ সোমবার বিকেলে আমার বাড়ীতে এ সন্ত্রাসী হামলার কারন বুঝতে পারি না। আমার ৫ বোনকে বেদম মারধর করে আমার বসত ঘরে ঢুকে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালিয়ে আমার পুরো পরিবারকে সর্বশান্ত করে দিয়েছে। মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি দেখা যাক কি হয়।
এ বিষয়ে স্থাণীয় ওয়ার্ড মেম্বাার শহিদুল্লাহ চৌধুরী জানায়, এ ঘটনাটি মূলত তাদের পারিবারিক কোন্দাল বিভিন্ন মাধ্যমে হামলার খবর শুনে ওই বাড়ীতে যাই এবং স্থানীয় কাছ থেকে বিস্তারিত অবগত হই। আমার যাওয়ার পরপরই লাকসাম থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসেন।
এ ব্যাপারে লাকসাম থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নিজাম উদ্দিন জানায়, ঘটনা শুনে তাৎক্ষনিক ওই এলাকায় পুলিশ পাঠাই। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মশিউর রহমান সেলিম
লাকসাম, কুমিল্লা।
০১৭১১-২৭৩৬১০
২২/১২/২০২০

 

[Sassy_Social_Share total_shares="ON"]