62 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

সালথায় থানা ঘেরাও, এসিল্যান্ড অফিসে আগুন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় এক সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে থাকা এক সরকারি কর্মচারীর লাঠিপেটায় এক ব্যক্তির গুরুতর আহত হওয়াকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাণ্ড বেঁধে গেছে। এ ঘটনার জের ধরে উত্তেজিত জনতার হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন পুলিশের একজন এসআই।

এ প্রতিবেদন লেখার সময় সোমবার রাত ১০টার দিকে উত্তেজিত জনতা ঘটনার জন্য দায়ীদের শাস্তি দাবিতে উপজেলা পরিষদ ও থানা ঘেরাও করে রেখেছে। এ ছাড়া সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে।

জানা গেছে, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে সালথা উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের ফুকরা বাজারে চা খেয়ে ওই ইউনিয়নের নটাখোলা গ্রামের মৃত মোসলেম মোল্লার ছেলে মো. জাকির হোসেন মোল্যা বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সেখানে লকডাউনের কার্যকারিতা পরিদর্শনে সেখানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মারুফা সুলতানা খান হিরামনি উপস্থিত হন।

জাকির হোসেন অভিযোগ করেন, কিছু বুঝে উঠার আগেই এসি ল্যান্ডের গাড়ি থেকে নেমে এক ব্যক্তি তার মাজায় সজোরে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এতে তার মাজা ভেঙ্গে যায়। আহত জাকির হোসেনকে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, জাকির হোসেনকে আহত করার খবরে সেখানে উপস্থিত জনতা উত্তেজিত হয়ে উঠে। কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে আরো গ্রামবাসী জড়ো হয়। এরপর সেখানে সালথা থানার এসআই মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা পুলিশের উপরেও হামলা করে। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। এরপর বিক্ষুব্ধ জনতা সালথা থানা অভিমুখে রওনা হয়ে থানা ঘেরাও করে।

অপরদিকে রাত ১০টার দিকে এসিল্যান্ডের অফিসে ভাংচুরের পর আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষুব্ধরা।

সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান বলেন, এসিল্যান্ড মারুফা সুলতানা হিরামনির নিকট হতে খবর পেয়ে ফুকরা বাজারে পুলিশ পৌঁছালে সেখানে পুলিশের উপরে হামলা হয়। এতে এসআই মিজানুর রহমানের মাথা ফেটে যায়। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত হতে অনুরোধ জানাচ্ছি। তাদেরকে নিজ হাতে হ্যান্ড মাইক দিয়ে তাদেরকে বিষয়টি সমাধানের অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ব্যাপারে সহকারী কমিশনার ভূমির বক্তব্য জানার জন্য তাঁর মোবাইলে ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি।