118 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

সিরাজদিখানের আশঙ্কা হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রাম ঘটতে পারে মোট আক্রন্ত ২৮৪ জন

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

মোঃ মাহমুদুল হাসান,মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজদিখান উপজেলার কোথাও মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি। গ্রাম, হাটবাজার থেকে শুরু করে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নের হাট বাজারে শপিংমলে,ব্যাংকগুলোতে শারীরিক দূরত্ব মানার বালাই নেই। মাস্ক ও গ্লাভস পরার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষই উদাসীন। অসম্ভব ছোঁয়াচে করোনার মহামারীর মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা করে চলছে সবকিছুই। ফলে বাড়ছে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা, বাড়ছে লাশের সারি। আক্রান্ত হচ্ছে নতুন নতুন এলাকা। এদিকে নতুন করে সিরাজদিখান উপজেলায় গত ১৭/৬/২০ ইং তারিখের রিপোর্ট অনুযায়ী নতুন ৮জন আক্রান্তসহ মোট আক্রন্ত ২৮৪ জন এবং মোট সুস্থ -১১৫ জন। সরকারী হিসেব অনুযায়ী সংখ্যার ভিক্তিতে এই্ উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত । মোবাইল ফোনে কথা বলে জানা যায়, রোগীর সংখ্যা বিবেচনা করে উপজেলাজেলা প্রশাসনের কাছে চিঠি দিবেন মুন্সীগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোঃ আবুল কালাম আজাদ। সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী সামাজকি দুরত্ব ও স্বাস্থ্য বিধিমেনে চলার কথা থাকলেও সামাজিক দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই যত্রতত্র চলাচল করছে সিরাজদিখান উপজেলার মানুষ। যদিও সামাজিক দুুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষথেকে টহল ও মাইকিং অব্যহত রয়েছে। গতবুধবার হতে আজ শনিবার দুপুর পর্যন্ত সরেজমিনে উপজেলার সিরাজদিখান মুরগির হাট,কেয়াইন কেয়াইন ইউনিয়নের নিমতলা বাজার,ইছাপুরা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব না মেনে হাট, বাজার, গণপরিবহন গুলিতে ছিলো উপচেপড়া ভীর। সকাল থেকে শুরু করে বিকাল পর্যন্ত খোলা থাকছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলি নেই প্রশাসনের নজরদারি। সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাক্তার মোঃ বদিউজ্জামান জানান, ‘গত এপ্রিলে সিরাজদিখান উপজেলায় করোনা ভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ শুরু হয়। ৭ মে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় আজ শনিবার ২০ জুন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ২৮৪ জনে দাঁড়িয়েছে। তিনি আরো জানান, এ পর্যন্ত ৩৭২ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য মুন্সীগঞ্জ সিভিল সার্জনের নিকট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ২৭৭ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে নতুন ৮জনের পজেটিভ এসেছে। ১১৫ জন সুস্থ হয়েছে। এখনো ২০জনের রিপোর্ট পেন্ডিং রয়েছে। সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশফিকুন নাহান জানান, স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতে কঠোর অবস্থানে যাবে উপজেলা প্রশাসন। যে সকল ব্যবসা প্রতি প্রতিষ্টান সরকারী নির্দেশনা অমান্য করে খোলা থাকছে তাদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা অব্যহত থাকবে। সিরাজদিখানে প্রতিনিয়তই বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা তার পরেও স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দুরত্ব না মেনে অবাধে চলাচল করায় আশঙ্কা হারে করোনা ভাইরাসের সংক্রাম ঘটতে পারে সিরাজদিখানে। এখনই করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে প্রশাসনের আরোও বেশী কঠোর নজর দারির দাবি জানিয়েছেন উপজেলার সচেতন মহল।