42 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

হাড় ভাঙ্গা রোগীদের চিকিৎসা লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রমা হাসপাতালের যাত্রা শুরু

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: করোনাভাইরাসের কারণে বিপর্যস্ত সারা দেশ। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। এর প্রভাব কম নয় ব্রাহ্মণবাড়িয়াও। তাই স্বাস্থ্য সেবায় নতুন সম্ভাবনা ও হাড় ভাঙ্গা রোগীদের চিকিৎসা লক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের যাত্রা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জেলা শহরের পাইকপাড়া সিলভার ফর্ক কনভেনশন হলে আনুষ্ঠানিক ভাবে শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেয়ারম্যান মো. এমরান হোসাইন এর সভাপতিত্বে ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক একেএম সারোয়ার এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) জেলা শাখার সভাপতি ডা. আবু সাঈদ।।

তাছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ এইচ মাহবুব আলিআম, স্বাচিপ কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম নেতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিক্যাল এসোসিয়েশনের সেন্ট্রাল কাউন্সিলর ডা. এ জেড এম দস্তগীর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. ফখরুল আলম আশেক, ডা. মাজহারুল ইসলাম সোহেল, জেলা স্বাচিপের প্রচার সম্পাদক ডা. খোকন চন্দ্র দেবনাথ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ডা. ফাইজুর রহমান ফায়েজ, ডা. হুমায়ূন কবির রেজা, কাজী মাজহারুল ইসলাম রাসেল, ডা. মেজর জিয়াউদ্দিন হায়দার, ডা. এবিএম মুছা চৌধুরী, ডা. আব্দুল্লাহ আল-মামুন, ডা. ফৌজিয়া জাফরিন টিকলী ও মোহাম্মদ মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া প্রমূহ।।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. আবু সাঈদ বলেন, এটা একটি ঐতিহাসিক দিন ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একমাত্র ট্রমা সেন্টার। এই সেন্টারের সেবা চালু হলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন এলাকার মানুষ ও পাার্শ্ববতী এলাকায় জনগন সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগিরা চিকিৎসার সুযোগ পাবে, তাদের আর কষ্ট করে ঢাকা অথবা কুমিল্লা দৌড়াঁতে হবে না। এই হাসপাতালটি উন্নয়নের মাইলফলক হয়ে সফলতা লাভ করবে।

এর আগে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কুমারশীল মোড় ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ফিতা কেটে শুভ উদ্বোধন করেন ডা. আবু সাঈদ।