80 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

২১শে গ্রেনেড হামলায় এখনো বেঁচে আছে বাঞ্ছারামপুরের রহিস খান

  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পথিক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবারিয়া জেলা বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় রূপসদী গ্রামের  ২০০৪ সালে ২১ শে গ্রেনেড হামলায় এখনো বেঁচে আছে রহিস খান।। তিনি ২০০৪ সালে ২১ শে গ্রেনেড হামলার সময় শেখ হাসিনা ও আওয়ামীলীগ কে ভালবেসে দলীয় লোকেদের সাথে অংশ গ্রহন করতে জঙ্গিদের হামলার শিকার হয়।ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের রূপসদী গ্রামের যুবলীগ নেতা রহিস খান।
বি.এন.পির আমলে অনেক নির্যাতিত হয়েছে এই নেতা। যখন ২০০৪ সালে একুশে গ্রেনেড হামলা হয় তখন এ নেতা পায়ের  স্পি্লন্টারে আঘাত পায়।তখন থেকে চিকিৎসা করালেও সঠিক ভাবে হাঁটতে পারে না এবং ব্যাথার  কারনে ঘুমাতে পারে না।কয়েকবার পায়ে অস্ত্রোপচার করা হলেও এখন টিক মত দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। এখন সেই ভয়াল কালো দিনের কথা মনে পড়ে আতকে উঠে।নাকে মুখে শুধু হতাশার ছাপ এই নেতার চোখে ভেসে আসে । যখন তার পায়ের স্পিন্টার আঘাতপ্রাপ্ত হয়, তখন  তার কোন ঘ্রাণ  ছিল না। হঠাৎ চোখ মেলে তাকিয়ে দেখে শুধু লাশের সারি। সকলের রক্তমাখা জামা। মানুষ ছোটাছুটি করেছে।চার দিকে লাশ আর লাশ। চার দিকে জুতা,কলো ধোঁয়া ছড়িয়ে আছে।একে অপরের চিনা খুব কষ্ট হয়ে পড়ে।  এই বিভীষিকাময়  ঘটনার  বর্ণনা দিতে   গিয়ে কেঁদে উঠলেন রহিস খান।
পাশে  বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী  শেখ হাসিনাসহ অনেকে আহত হয়েছে। তাদেরকে দেখতে পেয়ে যেন আরো হতাশায় ভেঙ্গে পড়লে এই নেতা।এই নেতা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার রূপসদী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সহ-সভাপতি। ১৯৮৫ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রূপসদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক, পরে ১৯৯১ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত সভাপতি, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য ছিলেন। ২০০৪ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক, ২০১২ সাল থেকে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব।
তিনি সব  সময় অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে।দরিদ্র অসহায় মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের কথা চিন্তা করে ও দেশ এবং সমাজের জন্য কাজ করার জন্য সোচ্চার ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। এই নেতা তার নিজ বাড়িতে মেয়েদের লেখাপড়ার  জন্য মাননীয় সংসদ সদস্য ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলামের হাত ধরে তার বাবা এবং চাচার নামে বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। শিক্ষা এবং নারীশিক্ষা আন্দোলনের জন্য রইস খান এবং তার চাচা সাবেক মহরম চেয়ারম্যান আবুল হাসেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে গিয়েছে।রূপসদী এলাকাসহ বিভিন্ন গ্রামে বিদ্যাৎ ছিলনা না ,তখন সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম আবদুল হাসেম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইরি  ও বোরো ধানে জমি চাষের জন্য গভীর নলকূপ থেকে পানি তোলার জন্য সরকারের কাছে সু-ব্যবস্থা চালু করে জনগণের কাছে সুপরিচিত হয়ে আছে। রূপসদী মানুষ সারা জীবন এই মরহুম  সাবেক আবুল হাসেম চেয়ারম্যান কে রূপসদীরবাসী মনে রাখবে।