657 বার দেখা হয়েছে বার পড়া হয়েছে
মন্তব্য ০ টি

৮ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ৩ ভাই মিলে পালাক্রমে ধর্ষণ

  • 35
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
    35
    Shares

পথিক রিপোর্ট:১৪ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রী ও ছোট ভাইয়ের প্রেমিকাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
তারা হলেন- আড়াইহাজার উপজেলার ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়নের ব্রাহ্মন্দী মধ্যপাড়া এলাকার মোতালিবের ছেলে টিউবওয়েল মিস্ত্রী নজরুল ইসলাম (২৫), তার বড় ভাই রিকশা চালক বাদল (৩৭) ও তাদের ফুফাতো ভাই একই এলাকার আবুল হোসেনের ছেলে টিউবওয়েল মিস্ত্রী মুছা (২৪)।
ভুক্তভোগী ওই নির্যাতিতা স্থানীয় দিঘলদী এলাকায় একটি মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ব্রাহ্মন্দী সরকারি হাসপাতালের পেছনে পুকুরের পাড়ে জঙ্গলে গত ১২ অক্টোবর রাতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে তিনজনকে আসামি করে গত বৃহস্পতিবার রাতে একটি মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার অভিযুক্ত তিন ব্যক্তিকে নারায়ণগঞ্জের আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
এজাহারে ছাত্রীর মা উল্লেখ করেন, নির্যাতিতা ওই ছাত্রী দিঘলদী এলাকায় একটি মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। মাদরাসার হোস্টেলেই সে থাকতো। হোস্টেলের পানির ট্যাঙ্কে সমস্যা হলে সে গত ১২ অক্টোবর গোসল করতে বাড়িতে যায় এবং পরে আবার মাদরাসায় ফেরে। ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে মাদরাসায় গিয়ে মেয়ের খোঁজ করলে গেটের দারোয়ান জানায় তার মেয়ে মাদরাসায় নেই। পরে তার ব্যবহৃত মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও কেউ তা রিসিভ করছিল না।
মামলায় তিনি আরো বলেন, গত বৃহস্পতিবার বিকালে স্থানীয় প্রভাকরদী এলাকা থেকে জনৈক মোবারক নামে এক ব্যক্তি ফোন করে মেয়ের অবস্থান জানায়। পরে তাকে বাড়িতে নিয়ে এসে তার সাথে কথা বলে জানা যায়, সাগর পরিচয় দিয়ে নজরুল তাকে এক মাস ধরে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত ১২ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে ফোন করে ব্রাহ্মন্দী সরকারি হাসপাতালের পেছনে রবিন্দ্র বাবুর পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তার মেয়েকে নজরুল, তার বড় ভাই বাদল ও ফুফাতো ভাই মুছা জোরপূর্বক পালাক্রমে ধর্ষণ করে।
আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় নির্যাতিতার মা একটি মামলা দায়ের করেছেন। এরই মধ্যে অভিযুক্ত তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে গত ৭ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আড়াইহাজারের স্থানীয় নৈকাহন এলাকায় ৪০ বছর বয়সী এক বিধবা নারী সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আলী আকবর (৪৫) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ মামলায় অভিযুক্তরা অন্যরা হলেন- নৈকাহন এলাকার মৃত আ. মালেকের ছেলে মোস্তফা (৫৫), মৃত রহমত আলীর ছেলে আনারুল (৪০), ডা. হোসেন মিয়ার ছেলে লিটন (৩২), খোকা মিয়ার ছেলে তরিকুল ইসলাম (৩৫) ও একই এলাকার লস্কর আলীর ছেলে শাহীন (৩২) সূত্র :দৈনিক নয়া দিগন্ত

জুনায়েদ /পথিক নিউজ

  • 35
    Shares
  • 35
    Shares