বিনোদন ডেস্ক: ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পূর্বাহ্ন
বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক মিকা সিং সম্প্রতি একটি মজার ঘটনা শেয়ার করেছেন, যা শোনার পর রসিকতায় মেতে উঠেছেন তার ভক্তরা। দীর্ঘ ছয় মাস ধরে তিনি বিশ্বাস করতেন যে বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন তাকে নিয়মিত খুদে বার্তা বা টেক্সট পাঠাচ্ছেন। তবে দিনশেষে জানা যায়, মেসেজগুলো অমিতাভ পাঠাচ্ছিলেন না, বরং তার ভাই দালের মেহেন্দি তাকে নিয়ে এক মজার ছলনা করছিলেন।
ঘটনাটি ঘটেছিল যখন মিকা সিং অমিতাভ বচ্চনের সঞ্চালিত জনপ্রিয় গেম শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ (কেবিসি)-র ১৮তম মৌসুমে উপস্থিত হন। শো চলাকালেই মিকা এই মজার স্মৃতিটি তুলে ধরেন এবং জানান কিভাবে তিনি অমিতাভের ছদ্মবেশে থাকা নিজের ভাইয়ের সাথে মাসের পর মাস কথা বলে গেছেন।
মিকা সিং জানান, হঠাৎ একদিন তার মোবাইলে একটি মেসেজ আসে, যেখানে প্রেরক হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের নাম এবং পরিচয় ব্যবহার করা হয়েছিল। অমিতাভ বচ্চনের মতো একজন কিংবদন্তি অভিনেতার কাছ থেকে সরাসরি বার্তা পেয়ে মিকা স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত আনন্দিত ও সম্মানিতবোধ করেছিলেন।
সেই বার্তায় তাকে শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি কাজের প্রশংসাও করা হয়েছিল। মিকা সিং অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে প্রতিটি বার্তার উত্তর দিতেন এবং তাদের মধ্যে নিয়মিত বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকে। মিকা বিন্দুমাত্র সন্দেহ করেননি যে এই মেসেজের পেছনে অন্য কেউ থাকতে পারে।
প্রায় ছয় মাস এভাবে বার্তা চালাচালি চলার পর একদিন সত্যটি প্রকাশ্যে আসে। মিকা সিং বুঝতে পারেন যে অমিতাভ বচ্চনের নাম ব্যবহার করে এতদিন যিনি তার সাথে কথা বলছিলেন, তিনি অন্য কেউ নন—তারই বড় ভাই এবং বিখ্যাত গায়ক দালের মেহেন্দি।
দালের মেহেন্দি অত্যন্ত সুচতুরভাবে এবং অমিতাভ বচ্চনের ব্যক্তিত্বের সাথে মিলিয়ে বার্তাগুলো পাঠাচ্ছিলেন, যার ফলে মিকার মনে কোনো সন্দেহের উদ্রেক হয়নি। ছোট ভাইকে এভাবেই বোকা বানিয়ে দীর্ঘ সময় আনন্দ পান দালের মেহেন্দি।
কৌন বনেগা ক্রোড়পতির মঞ্চে এই ঘটনাটি শোনার পর অমিতাভ বচ্চন নিজে এবং উপস্থিত দর্শক সকলেই হেসে ফেলেন। এই ধরনের আনন্দঘন ও হাস্যোদ্দীপক মুহূর্ত অনুষ্ঠানটির বিনোদনে নতুন মাত্রা যোগ করে।
মিকা সিং বলিউডের বেশ কিছু জনপ্রিয় ও চার্টবাস্টার গান উপহার দিয়েছেন। তার ভাইয়ের সাথে এমন মিষ্টি প্র্যাঙ্ক বা রসিকতার কথা প্রকাশ্যে আসার পর তা নেটদুনিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
অথেন্টিক সোর্স: NDTV Movies · India

মন্তব্য ০
আলোচনায় অংশ নিন, তবে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও অশালীন ভাষা এড়িয়ে চলুন।