ব্রাহ্মণবাড়িয়া যমুনা হাসপাতাল এর এমডি কে  রাতের আঁধারে মারধর, থানা মামলা দায়ের

লেখক:
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি: গত ৬ ডিসম্বের দিবগত রাতের আধারে যমুনা হাসপাতালের এমডি জুলফিকার আলী পূর্ব শত্রুতার জেড়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফরিদুল হুদা রোড, লক্ষী স্টোরের সামনে কিছু দৃবৃত্তরা মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে এলোপাতারি আক্রমন করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় ভিকটিমের কাছ থেকে ২ লক্ষ ৮২ হাজার ১৫০ টাকা অসৎ উদ্দেশ্যে চুরি করে নিয়ে যায়্।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানায় ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে যার নাম্বার

জিআর ৫৬০/২৩ । আসামীরা হলো ১. তৌফিক খান (২৬) ২. আরমান খান  (৩২) ৩. আকরাম খান এবং  ৪. আশরাফ খান (৩৫)

 

মামলা সুত্রে জানা যায়,পুর্বের শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে আসামীরা ঘটনাস্থল উৎপেতে থাকে। ঘটনা সময় ও তারিখে যমুনা হাসপাতালের কাজ শেষ করে হাসপাতালের সামনে  সদাই ক্রয় করতে ঘটনাস্তলে পৌছানো মাত্র পূর্বে থেকে উৎপেতে থাকা আসামীরা অতর্কিত ভাবে দেশেীয় অস্ত্রাদি দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে মাথায় আঘাত,শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাত করতে থাকে। আঘাতে এক পর্যায়ে জুলফিকার মাটিতে লুটিয়ে পড়ে গেলে। আসামীরা তার পেন্টে থাকা হাসপাতালের ক্যাশ নগদ ২ লক্ষ ৮২ হাজার ১৫০ টাকা অসৎ উদ্দেশ্যে চুরি করে নিয়ে যায়্ এমন অবস্থায় সকল আসামীরা হত্যার উাদ্দেশ্যে গলাটিপে হত্যা করার চেষ্টা কালে জখমীর সুর চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে জুলফিকার আলীকে উদ্ধার করে।

ঘটনাস্থল ডাক্তার ফরিদুল হুদা রোড সংলগ্ন লক্ষী স্টোরের লোকজন আসামীদের বাধা দিলে আসামীরা ক্ষিপ্ত হইয়া উক্ত দোকানের ২০ হাজার টাকা মালামাল নষ্ট করে।  ঘটনার পূর্বে ভিবিন্ন সময় সকল আসমীরা প্রায় হুমকি দিয়ে আসত সুযোগ মতো পাইলে খুন করে লাশ ঘুম করে ফেলবে।

এ বিষয়ে জুলফিকার আলী সাংবাদিকদের জানান, হাসপাতালের প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকে সততার সাথে যমুনা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করে আসছি, হাসপাতালের সাবেক চেয়ারম্যান মুহাম্মদ এমরান খান যিনি প্রতি হিংসা ও লোভে পড়ে হাসপাতালের বিভিন্ন ক্ষতি করতে চাইতো আমি তাতে বাধা দিলেই সে আমার শত্রুতে পরিনিত হয়। এমনকি আমাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন। রাতের আধারে তার ভাইদের দিয়ে আমার উপর সন্ত্রাসী আক্রমন করে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের জানান মামলার ১ নং আসামীকে  গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অবহ্যত আছে।