হয়রানিমূলক বদলি অনতিবিলম্বে বন্ধের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

লেখক:
প্রকাশ: ১ বছর আগে

বিশেষ প্রতিনিধি:

বুধবার (১০ মে) পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রধান কার্যালয় ইস্কাটন গার্ডেন রোড (রেড ক্রিসেন্ট বোরাক টাওয়ার) এ অবস্থান কর্মসূচির আয়োজন করে সি এ ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন।

এ সময় তারা বলেন, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক কর্মচারী চাকরী প্রবিধান-২০১৬ অনুযায়ী ব্যাংকের সরাসরি নিযুক্ত কর্মচারী ক্যাশ সহকারীগণের ৫ বছর চাকুরীকাল পূর্ণ হলে ১০ম গ্রেডে অফিসার ক্যাশ/ অফিসার সাধারণ পদে পদোন্নতি পাওয়ার কথা থাকলেও নভেম্বর-২০২২ এ পূর্বের প্রবিধান বাতিল করে নতুন প্রবিধানে ১০ বছরে পদোন্নতির বিধান করা হয় এবং একটি নতুন পদ সৃষ্টি করে ক্যাশ সহকারী পদটি কে স্থায়ীভাবে ব্লক করে দেওয়া হয়।

বক্তারা বলেন, নতুন প্রবিধান প্রণয়নকালীন সময় থেকে ক্যাশ সহকারীগণ বারংবার লিখিতভাবে অবহিত করলেও প্রবিধান প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। অতপর ১৭৮ জন ক্যাশ সহকারী বাধ্য হয়ে মৌলিক অধিকার ফেরত পাওয়ার সর্বশেষ স্থান হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করে। রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মহোদয় প্রচন্ড ক্ষুব্দ হয়ে প্রধান কার্যালয়ের ২১ জন ক্যাশ সহকারীকে প্রাথমিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন।

তারা বলেন, প্রধান কার্যালয় ও শাখা পর্যায়ের রিটকারী ক্যাশ সহকারীদের কে ২০০-৪০০ কিঃমিঃ দূরে হয়রানিমূলক বদলি করে রিট তুলে নেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে আমাদের মৌলিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে জানান।

বক্তারা বলেন, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, এই আমরাই প্রথম রিটকারী নই ইতোঃপূর্বে সিনিয়র অফিসার (বিআরসি), সিনিয়র অফিসার (ডিসিও) সিনিয়র অফিসার (গ্রমোটেড), অফিসার সাধারণ কম্পিউটার অপারেটর, জুনিয়র অফিসার, মাঠ সহকারীসহ প্রায় (৬০-৬৫)% কর্মচারী বিভিন্ন রিট কার্যক্রমের সাথে যুক্ত হয়েছেন। কিন্তু রিটের কারনে ব্যাংক ম্যানেজম্যান্ট তাদের বিরুদ্ধে কোন হয়রানি বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। তবে কেন এই ব্যাংকের কর্মচারীগনের মধ্যে সর্বাধিক দক্ষ, সৎ, যোগ্য ও পরিশ্রমী ক্যাশ সহকারীগণের বিরুদ্ধে ম্যানেজম্যান্ট কেন এরুপ বিমাতাসূলভ আচরণ করছেন তা আমাদের বোধগম্য নয় বলে জানান তারা।

প্রধানমন্ত্রী, দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্বপ্ন প্রসূত প্রতিষ্ঠান পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে এই অবিচার মানসিক নির্যাতন ও হয়রানি কোনভাবে কাম্য নয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যাংকের ভাবমূর্তি রক্ষায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ও হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

এ সময় অবস্থানরতরা একদফা একদাবিতে বলেন, মিথ্যা প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও হয়রানিমূলক বদলি অনতিবিলম্বে বন্ধের আহবান করেন।