
এ সময় স্ত্রী শারমিন আক্তার স্বামীকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে জাহাঙ্গীর আলম তাকে পেটে লাথি মারেন। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরবর্তীতে তার আড়াই মাসের গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হয়ে যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় দম্পতিকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
বর্তমানে শারমিন আক্তার মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন আছেন।
চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শিবানী দেবের আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট এবং গাইনী কনসালটেন্ট ডা. শরীফা মাসুমা ইসমত ভর্তির কাগজে উল্লেখ করেন, শারমিন আক্তার গর্ভবতী ছিলেন না এবং কোনো “abortion” ঘটেনি। তবে এর আগের ২৪ সেপ্টেম্বর ডা. শাকিল আহমেদের করা আল্ট্রাসনোগ্রাফিতে শারমিনের ৬ সপ্তাহ ৫ দিনের গর্ভধারণ নিশ্চিত করা হয়। এ ঘটনায় চিকিৎসা প্রতিবেদনে অসঙ্গতি ও চিকিৎসকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
আহত শারমিনের স্বামী আব্দুল গনি বলেন, “আমার গর্ভবতী স্ত্রীর সন্তানকে তারা মেরে ফেলেছে। ডাক্তারও ভুল রিপোর্ট দিয়েছেন। আমি অত্যন্ত অসহায়, এর সঠিক বিচার চাই।”
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। অভিযোগ পেয়েছি, তদন্তের পর মামলা রুজু করা হবে। অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।”
