যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশসহ ১১ গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত উপদেষ্টা পরিষদের
কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ–২০২৬ নীতিগত অনুমোদনসহ ১১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
বিকেলে বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, বৈঠকে পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশের খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ অধ্যাদেশ–২০২৬-এর খসড়া চূড়ান্ত এবং বাংলাদেশ প্রাণী ও প্রাণীজাত পণ্য সংঘনিরোধ অধ্যাদেশ–২০২৬-এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
বৈঠকে প্রতিবছর ২৩ মার্চকে ‘বিএনসিসি ডে’ হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হিসেবে জাতিসংঘের নির্যাতন ও অন্যান্য নিষ্ঠুর, অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণ বা শাস্তিবিরোধী কনভেনশনের ৭০(১) ধারার আওতায় বাংলাদেশের পূর্ববর্তী ঘোষণা প্রত্যাহারের প্রস্তাব অনুমোদন পায়।
এছাড়া ক্যারিবিয় দেশ গায়ানায় বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক মিশন খোলা, ২০২৫–২৮ সময়কালের আমদানি নীতি আদেশের খসড়া অনুমোদন এবং হেগ কনভেনশন–১৯৮০-এ বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ অধ্যাদেশ–২০২৬-এর খসড়ার নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
এসব সিদ্ধান্ত নারীর সুরক্ষা, মানবাধিকার, ক্রীড়া উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, বাণিজ্য এবং নগর উন্নয়নে কাঠামোগত সংস্কারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।